অপহরণের পর মুক্তিপণ না পেয়ে বন্ধুকে হত্যা
রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৩ | ১১:৫৫ | আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৩ | ১৩:৫৭
এ ঘটনায় পুলিশ আরিফুল হক চৌধুরী রিপন (৪০) নামের নিহতের এক বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সজলের লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সজলের বাবার নাম মোহাম্মদ মর্তুজা হোসেন। রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার হড়গ্রাম মুন্সিপাড়া এলাকায় তার বাড়ি।
সজল হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার রিপন নাটোরের লালপুর উপজেলার আবদুলপুর গ্রামের মৃত হামিদুল হকের ছেলে। তিনি রাজশাহী নগরীর শাহমখদুম থানার সন্তোষপুর মহল্লার ভাড়া বাসায় থাকতেন।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিজয় বসাক জানান, নিহত সজল ও রিপন বন্ধু। তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। সজলের বাবা মর্তুজা হোসেন গত বুধবার নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১ অক্টোবর তার ছেলেকে অপহরণ করা হয়। সজলকে ফিরিয়ে দিতে অপহরণকারী প্রথমে ১ কোটি এবং পরে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
জিডির পর নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রিপনকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, অপহরণের পরদিন রিপনকে হত্যা করে লাশ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। পরে বুধবার দিবাগত রাতে কাশিয়াডাঙ্গা ও শাহমখদুম থানা এবং ডিবি পুলিশ রিপনকে নিয়ে তার ভাড়া বাসায় অভিযানে যায়। এ সময় রিপনের দেখানো সেপটি ট্যাংক থেকে নিহত সজলের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এডিসি বিজয় বসাক আরও জানান, এ ঘটনায় নিহত সজলের বাবা মর্তুজা হোসেন বাদী হয়ে রিপনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা করেছেন। সজলের লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া রিপনকে বৃহস্পতিবারই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
