কিশোরগঞ্জ-১ আসন
সাফায়েত অস্ত্র আর টাকা নিয়ে নেমেছে, বললেন ভাই শরীফুল
সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি ও সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলাম
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১৩:১৯ | আপডেট: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১৩:২৩
কিশোরগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান এমপি সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি। তাঁর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন বড় ভাই মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলাম (ঈগল)। দুজনই শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের সন্তান। রোববার রাতে রেলস্টেশন এলাকায় জাকিয়া নূর লিপির নির্বাচনী পথসভা হয়েছে। সেখানে বক্তৃতা করতে গিয়ে সাফায়েতকে ইঙ্গিত করে ছোট ভাই বঙ্গবন্ধু চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ শরীফুল ইসলাম বলেছেন, ‘তারা অস্ত্র আর টাকার গরম দেখাচ্ছে। আমরা নেমেছি আদর্শ নিয়ে। আমরা সততার সঙ্গে রোজগার করে খাচ্ছি।’ তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ‘তারা পয়সা দেবে, আপনারা পয়সা নেবেন। আর ভোটটা দেবেন নৌকায়।’ তিনি সাফায়েতকে ‘দলছুট’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমরা চার ভাইবোন একসঙ্গে আছি। ছোটবোন লিপির পক্ষে কাজ করছি।’
স্বতন্ত্র প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে সাফায়েতুল ইসলামকে সমর্থন দিয়েছেন চাচাত ভাই জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু। লিপির ছোটবোন সৈয়দা রাফিয়া নূর রূপা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নারী। নারী বলেই তিনি মায়ের যত্ন দিয়ে দেশটাকে সাজাচ্ছেন। মায়েরাই নিজের ঘরকে সুরক্ষিত রাখে। প্রধানমন্ত্রী লিপিকে মনোনয়ন দিয়েছেন। লিপির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এলাকার মানুষের জন্য যা যা দিচ্ছেন, তার শতভাগ সদ্ব্যবহার করছেন লিপি। বিভিন্ন ভাতা দিচ্ছেন, বিনামূল্যে ঘর দিয়েছেন।

অন্যদিকে সাফায়েতের বড় ভাই অধ্যাপক ড. সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম সভায় বলেন, আমরা চার ভাই-বোন একসঙ্গে আছি। আমার বোন সৎ, যোগ্য। তাঁর মেধা আছে। কর্মশক্তি আছে। সেই কারণে তাঁর জন্য মাঠে কাজ করছি।
শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোপাল দাসের সভাপতিত্বে পথসভায় প্রার্থী জাকিয়া নূর লিপি ছাড়াও বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এমএ আফজাল, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মামুন আল মাসুদ খান, সাবেক পৌর মেয়র নূরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন প্রমুখ।
নৌকার পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, নৌকা বঙ্গবন্ধুর প্রতীক, সৈয়দ নজরুলের প্রতীক, শেখ হাসিনার প্রতীক। আওয়ামী পরিবারের কেউ নৌকার বাইরে ভোট দিলে সেটা হবে বেঈমানি। গত ৫ বছর এলাকায় শান্তি ছিল। সন্ত্রাস, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ছিল না।
- বিষয় :
- কিশোরগঞ্জ-১
