রংপুরে সাংবাদিককে অপহরণ মামলার প্রধান আসামি রকি কারাগারে
গ্রেপ্তার এনায়েত আলী রকি
রংপুর অফিস
প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৫ | ২০:৩৮
রংপুরে একুশে টেলিভিশন ও দৈনিক সংবাদের নিজস্ব প্রতিবেদক সাংবাদিক লিয়াকত আলী বাদলকে অপহরণ করে মারধরের মামলার প্রধান আসামি এনায়েত আলী রকিকে (৩৮) কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়ান মনিরুজ্জামান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে বুধবার রাতে ঢাকার যাত্রাবাড়ির রায় সাহেব বাজার এলাকা থেকে র্যাব-১০ এর সহযোগিতায় রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানার ওসি আতাউর রহমান। তিনি জানান, সাংবাদিক লিয়াকত আলী বাদলকে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। সেই মামলার প্রধান আসামি এনায়েত আলী রকি মামলার পর থেকে পলাতক ছিলেন। পরে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকার যাত্রাবাড়ির রায় সাহেব বাজার এলাকা থেকে তাকে র্যাব-১০ এর সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয়। রংপুরে এনে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গ্রেপ্তার রকি নগরীর জাহাজ কোম্পানি মোড়ের সিঙ্গারের গলি এলাকার হায়দার আলীর ছেলে।
উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর দৈনিক সংবাদে ‘রংপুরে জুলাই যোদ্ধার নামে অটোর লাইসেন্স, ৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পাঁয়তারা’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর জেরে ২১ সেপ্টেম্বর লিয়াকত আলী বাদলকে নগরীর কাচারী বাজার থেকে জুলাই রাজবন্দির পরিচয়ে রকি নামের এক যুবকের নেতৃত্বে অপহরণ করে সিটি করপোরেশনে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। পরে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে নিউজের জন্য ক্ষমতা চাইতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনার খবর পেয়ে সাংবাদিকরা সেখানে গেলে সিটি করপোরেশনের বেশ কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রধান ফটক আটকে দিয়ে মব তৈরি করে সাংবাদিকদের মারধর ও হেনস্তা করেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক বাদল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা, ট্রেড লাইসেন্স শাখার প্রধান মিজানুর রহমান মিজু, সাবেক কাউন্সিলর লিটন পারভেজ, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা তম্ময় কুমার সরকারসহ ১৪ জনের নামে মামলা করেছেন। ওই মামলায় এর আগে আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- বিষয় :
- গ্রেপ্তার
- কারাগার
- সাংবাদিক নির্যাতন
