হিমাগারে ডাকাত আতঙ্ক
রংপুর অফিস
প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৫ | ০৭:২৮
| প্রিন্ট সংস্করণ
সপ্তাহের ব্যবধানে রংপুরে দুটি হিমাগারে ডাকাতি হয়েছে। সংঘবদ্ধ ডাকাতরা কর্মচারীদের বেঁধে টাকাসহ মালাপত্র নিয়ে গেছে। মামলা হলেও গ্রেপ্তারে অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এতে অন্য হিমাগারগুলোতেও ডাকাত আতঙ্ক বিরাজ করছে।
গত ৩১ অক্টোবর রাতে মহানগরীর তাজহাট এলাকার ধর্মদাস বারো আউলিয়া মহল্লায় রংপুর হিমাগারে ডাকাতির হয়েছে। ১৫-২০ জন ডাকাত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হিমাগারে প্রবেশ করে কর্মচারীদের হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা, পাঁচটি মোবাইল ফোন, সিসিটিভির ডিভিআর সেট লুট করে।
হিমাগারের মালিক মিজানুর রহমান জানান, ডাকাতরা শুধু টাকা লুট করেনি, কর্মচারীদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছে। তারা সিসিটিভির ডিভিআর নিয়ে যাওয়ায় ফুটেজও পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা খুবই আতঙ্কে আছি।
রংপুর মেট্রোপলিটন তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাজাহান আলী বলেন, ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এর আগে ২২ অক্টোবর রাতে রংপুরের তারাগঞ্জের এনএন হিমাগারে নৈশপ্রহরী ও কর্মচারীদের বেঁধে রেখে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা সিন্দুক ভেঙে ১২ লাখ ৫৪ হাজার ৯২০ টাকা, ৪২ ইঞ্চি রঙিন টেলিভিশন ও সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক লুট করে।
ডাকাতির পর পর তারাগঞ্জ থানার ওসি এম এ ফারুক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা হয়েছে। ওসি বলেন, আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পর পর দুটি হিমাগারে ডাকাতির ঘটনায় কিষাণ হিমাগার লিমিটেডের মালিক ফারুক হোসেন বলেন, একই কায়দায় দুটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা হয়তো হিমাগারকেই টার্গেট করেছে। তাই আতঙ্কে আছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যবসায়ীরা সমকাল প্রবিতবেদককে বলছেন, এ ধরনের ঘটনা শহরের ভেতরেও ঘটছে। শহরের বাইরের হিমাগারগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কে আছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার। তারা তা করছেন না।
- বিষয় :
- ডাকাত
