ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

কাদের সিদ্দিকী বললেন

যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ বাদ থাকে, সে ভোটে আমরাও যাব না

যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ বাদ থাকে, সে ভোটে আমরাও যাব না
×

টাঙ্গাইল হানাদারমুক্ত দিবস উপলক্ষে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কাদেরিয়া বাহিনী আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী -সমকাল

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ | ০৮:১০

| প্রিন্ট সংস্করণ

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, সবাইকে নিয়ে নির্বাচন হলে অংশ নেবে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ বাদ থাকে, সে ভোটে আমরাও যাব না। শুধু বিএনপি, এনসিপি, জামায়াত নির্বাচনে অংশ নিলে ২০ ভাগ মানুষও ভোট দিতে যাবে না। 

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কাদেরিয়া বাহিনীর আয়োজনে টাঙ্গাইল হানাদারমুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমি আপনাকে চিনতে পারি নাই। আমার আগে আপনাকে শেখ হাসিনা চিনেছেন। দেশের মানুষ চিনেছে। শেখ হাসিনার অন্যায় বঙ্গবন্ধুর অন্যায় নয়। শেখ হাসিনার অন্যায় আওয়ামী লীগের অন্যায় নয়, মুক্তিযুদ্ধের অন্যায় নয়। এই আওয়ামী লীগকে জন্ম দিয়েছিলেন শেখ মুজিব, শামসুল হক। শেখ হাসিনা জন্ম দেন নাই। শেখ হাসিনার বিচার করবেন ভালো কথা, কিন্তু আওয়ামী লীগের বিচার করবেন, তা পারবেন না। আইয়ুব খান পারে নাই, ইয়াহিয়া খানও পারে নাই। আপনারাও পারবেন না। আওয়ামী লীগের যারা দোষী, তাদের বিচার করেন, কিন্তু সবাই তো দোষ করেন নাই।
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যুদ্ধ করেছিলাম। জিয়াউর রহমানও করেছিলেন। দুজকেই বীরউত্তম খেতাব দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু সরকার। এখানে কোনো ভিন্নতা নেই। ভিন্নতা করেই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি জামায়াতকে আমরা শক্তিশালী করে দিয়েছি। স্বাধীনতা যুদ্ধে তারা যে অন্যায়-অবিচার করেছে, তারা ক্ষমা না চাইলে এই দেশে কথা বলার সুযোগ পেত না। বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা ছিলেন বলেই জামায়াতের নেতারা বেঁচে গিয়েছেন।

বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল জেলা মুজিব বাহিনীর প্রধান আলমগীর খান মেনু, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা বীরপ্রতিক, টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীরপ্রতীক, আবুল কালাম আজাদ বীরবিক্রম, কাদেরিয়া বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার কাজী হুমায়ুন বাঙ্গাল প্রমুখ। দিবসটি উপলক্ষে ‘কাদেরিয়া বাহিনী’র উদ্যোগে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়। যার মধ্যে ছিল– ভোরে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ৩টা পর্যন্ত গ্রামবাংলার ঐতিহ্য সঙযাত্রা ও লাঠিখেলা।

আরও পড়ুন

×