ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

এক একটি রাস্তায় দুই বার বরাদ্দ, বাস্তবে কাজ হয়নি

এক একটি রাস্তায় দুই বার  বরাদ্দ, বাস্তবে কাজ হয়নি
×

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার ফেইচকার চর এলাকায় রহিমের স-মিল থেকে সাহেব আলীর ভিটা পর্যন্ত রাস্তাটি মেরামতের জন্য দুই দফা বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ হয়নি সমকাল

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা

প্রকাশ: ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ | ০৭:৩১

| প্রিন্ট সংস্করণ

চিলমারীতে একই রাস্তায় একাধিক প্রকল্প দেখানো ও মাটি ভরাটের কাজ না করেও টিআর, কাবিটা ও কাবিখা কর্মসূচির বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার  কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবুজ কুমার বসাক।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আব্দুল সাত্তার নয়ারহাট ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিন অর্থবছরে একই রাস্তায় একাধিক প্রকল্প দেখানো হয়েছে এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বাস্তব কাজ হয়নি।
জানা গেছে, ফেইচকার চর এলাকায় রহিমের স-মিল থেকে সাহেব আলীর ভিটা পর্যন্ত রাস্তা মেরামতের জন্য ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এক লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাস্তার নাম পরিবর্তন করে একই স্থানের জন্য আবার দুই লাখ ১০ হাজার টাকার প্রকল্প দেখানো হয়। একইভাবে জ্যেষ্ঠ মণ্ডলের দোকান থেকে জাহাঙ্গীরের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মেরামতের জন্য ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও ওই রাস্তায় কাজ দেখিয়ে পাঁচ টন চাল বরাদ্দ নেওয়া হয়। মগরাকুরা আকন্দপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের জন্য ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও কোনো কাজ হয়নি।

ইউপি সদস্য আব্দুল সাত্তার বলেন, রাস্তার কাজ করেছি। বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট প্রকল্পে ৩০ ট্রাক মাটি কাটার নির্দেশ থাকলেও ৫৯ ট্রাক মাটি কাটিয়েছি। এতে বিল কম পাওয়ায় আমারই ক্ষতি হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সোহেল রহমান বলেন, ‘যোগদানের পর একটি প্রকল্পের কাজ বুঝে নিয়ে বিল দিয়েছি।’
ইউএনও সবুজ কুমার বসাক বলেন, অভিযোগ  তদন্ত করে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

×