ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

চসিকের সাবেক কাউন্সিলর সুমন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

সাড়ে ১৮ কোটির ‘অবৈধ’ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ 

চসিকের সাবেক কাউন্সিলর সুমন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
×

জিয়াউল হক সুমন

চট্টগ্রাম ব্যুরো 

প্রকাশ: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৮:০৩

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন এবং তার স্ত্রী শাহানাজ আকতারের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে সাড়ে ১৮ কোটি টাকার ‘অবৈধ’ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা দুটি দায়ের করেন প্রতিষ্ঠানটির একই কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক আপেল মাহমুদ বিপ্লব। তিনি চসিকের দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীতি সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন। ২০২৪ সালের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে এমপি নির্বাচন করেছিলেন তিনি।

দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ বলেন, সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দুটি দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

এজাহার উল্লেখ করা হয়, জিয়াউল হক সুমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৮৬ লাখ ৯০ হাজার ২৩৭ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। একইসঙ্গে তার নামে মোট ১৬ কোটি ৫১ লাখ ১০ হাজার ৩৫২ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখল করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ২০১৩-১৪ থেকে ২০২১-২২ করবর্ষ পর্যন্ত সময়ে সুমনের গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে ১ কোটি ২৬ লাখ ৪৬ হাজার ১৪ টাকা। অথচ ওই সময়ে তার মোট অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকার বেশি। ফলে তার আয়ের উৎসের সঙ্গে বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে পৃথক মামলায় জিয়াউল হক সুমনের স্ত্রী শাহানাজ আকতারের বিরুদ্ধে ২ কোটি ২ লাখ ২৬ হাজার ২৬৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের বিপরীতে প্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ৬৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা। স্বামীর সহায়তায় শাহানাজ আকতার এ অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন। এ কারণে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

×