আটক দুই কথিত সাংবাদিক কারাগারে, এসআই প্রত্যাহার
সিলেট ব্যুরো
প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৭:৪৬
| প্রিন্ট সংস্করণ
সিলেট বিমানবন্দর এলাকার বাইপাস রোড থেকে পুলিশের ওয়াকিটকি, চায়নিজ কুড়াল, প্রাইভেট কারসহ আটক দুজনকে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ডাকাতির প্রচেষ্টা মামলায় ওই দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া প্রত্যাহার করা হয়েছে উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুলকে।
সোমবার রাত দেড়টায় চেকপোস্টে তল্লাশি চলাকালীন লিটন মিয়া ও জুনায়েদ আহমেদ নামে ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করে সিলেট মহানগরীর বিমানবন্দর থানা পুলিশ।
আটক দুজনের বাড়ি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। এদের মধ্যে লিটন মিয়া কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক। অপরজন জুনায়েদ আহমদ ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির বালু-পাথরের লাইনম্যান (বালু, পাথর, চোরাইমাল বহনকারী গাড়ি থেকে টাকা উত্তোলনকারী) হিসেবে পরিচিত। তবে পুলিশের কাছে তারা নিজেদের কোম্পানীগঞ্জের গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে পরিচয় দেন।
পুলিশ সদস্যের ওই গাড়ি থেকে পুলিশের ওয়াকিটকি ও চায়নিজ কুড়াল উদ্ধারের ঘটোনায় এলাকাজুড়ে তোলপাড় চলছে। বিকেলে এসআই কামরুলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম খান।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাহ মো. মোবাশ্বির আলী জানিয়েছেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে এয়ারপোর্ট থানার বাইপাস এলাকায় রাত্রিকালীন চেকপোস্টে তল্লাশি চলছিল। ওই সময় কোম্পানীগঞ্জ থেকে সিলেট নগরমুখী একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালায় পুলিশ। প্রাইভেট কারে পুলিশের একটি ওয়াকিটকি ও চায়নিজ কুড়াল পাওয়া যায়। গাড়িতে থাকা দুজন এর কোনো সদুত্তর দিতে না পারায় তাদের থানা হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তারা পুলিশকে জানায়, ওয়াকিটকি ও প্রাইভেট কারের মালিক কোম্পানীগঞ্জ থানার ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কামরুল ইসলাম। পরে বিষয়টি তদন্ত শুরু করে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ। বিকেলে আটক দুজনের বিরুদ্ধের ডাকাতি প্রচেষ্টার মামলা দায়ের হয়।
- বিষয় :
- এসআই
