কাপাসিয়ায় ৫ খুন
ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পাঠানো হলো গোপালগঞ্জে
ছবি: সমকাল
কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬ | ১৩:০৮ | আপডেট: ১০ মে ২০২৬ | ১৫:২৪
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ হস্তান্তর করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. নূরুল করিম ভূঁইয়ার তৎপরতায় ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহগুলো নিজ জেলা গোপালগঞ্জে পাঠানো হয়।
গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাধারণত বেলা ২টার পর ময়নাতদন্ত বন্ধ থাকে। কিন্তু ঘটনার ভয়াবহতা এবং মরদেহে জখমের কারণে পচনের আশঙ্কায় জেলা প্রশাসক দ্রুত ময়নাতদন্ত করানোর উদ্যোগ দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিশেষ ব্যবস্থায় রাতের মধ্যেই পাঁচ মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করেন।
এছাড়া, নিরাপদে মরদেহ পৌঁছে দিতে দুটি ফ্রিজিং ভ্যানের ব্যবস্থা করেন জেলা প্রশাসক। দাফন ও পরিবহন সংক্রান্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন তিনি। জেলা প্রশাসক বলেন, ‘মানুষ চলে গেলেও তার মরদেহের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’
হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন, কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না তাসনীম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাহিদুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের স্বজনের সঙ্গে কথা বলেন।
এরআগে, শুক্রবার রাতে সদর ইউনিয়নের রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শনিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হয়। এ ঘটনায় নিহতরা হলেন— শারমিন খানম (৩৫), তার ভাই রসুল (২২), শারমিনের তিন মেয়ে মিম (১৬), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২)। তারা গোপালগঞ্জ জেলার পাইককান্দি গ্রামের বাসিন্দা শাহাদত মোল্লার পরিবারের সদস্য।
পুলিশ জানিয়েছে, শারমিনের স্বামী মো. ফোরকান এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
- বিষয় :
- গাজীপুর
- কাপাসিয়া
- মরদেহ হস্তান্তর
