ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

মেঘনা ভাঙনে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পানিসম্পদমন্ত্রীর

মেঘনা ভাঙনে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পানিসম্পদমন্ত্রীর
×

নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার মোহম্মদপুর ইউনিয়নে নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী। ছবি: আনোয়ারুল হায়দার।

নোয়াখালী প্রতিনিধি 

প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬ | ১৭:১৮ | আপডেট: ১৭ মে ২০২৬ | ১৭:৫৯

পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বৃহত্তর নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে বসবাস করছেন। নদীভাঙন, প্লাবন ও বন্যার মতো দুর্যোগ মোকাবিলা করেই এ অঞ্চলের মানুষ জীবনযাপন করে আসছেন। 

রোববার দুপুরে সুবর্ণচর উপজেলার মেঘনা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের কাটাখালি বাজার ও আশপাশের ভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এখন একটি নির্বাচিত সরকার রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের দুর্দশা লাঘবে প্রয়োজনীয় সব বিষয়ে নজর রাখছেন। জনগণের দাবির প্রতি তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং সে অনুযায়ী নির্দেশনা দিচ্ছেন। সেই দিক বিবেচনায় আমরা সব সময় কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সরকারের তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রত্যেকটা জায়গায় জনগণের পাশে থেকে জনগণের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছি।’ 

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘মেঘনা নদীর ভাঙন সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করলাম। অনেক বাজার, স্কুল, কলেজ, জমি সবই ভেঙ্গে যাচ্ছে। চোখের সামনে আমরা দেখতেছি একটা স্কুল ভেঙ্গে পড়েছে। এলাকার মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী ভাঙ্গন প্রতিরোধে জরুরি কাজ হাতে নিয়েছি। আমার বিশ্বাস সবাই একসাথে কাজ করলে মানুষ উপকার পাবে। জনগণের পাশে থাকা এবং তাদের জানমাল রক্ষা করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা সুবর্ণচর ও হাতিয়া উপজেলার নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে এসেছি।’ 

বর্ষা মৌসুমে ও অতিপ্রাবনের হাত থেকে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সামনে বর্ষা মৌসুম থাকায় ভাঙন প্রতিরোধে ইতোমধ্যে জরুরি কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। এছাড়াও দুই-তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে জরুরি কাজ শুরু করা হয়েছে।’ 

দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার বিষয়ে এ্যানি বলেন, ‘নদীর অপর প্রান্তে উড়িচর, স্বর্ণদ্বীপ ও ভাসানচর সহ পুরো হাতিয়া উপজেলা নদী ভাঙন এলাকার দিকে সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে। সেখানে অনেক গুলো প্রকল্প রয়েছে। তবে সুবর্ণচর বাসীর মানুষের দীর্ঘদিনের দাবী স্থায়ী বাধের। এখানে আমরা টেকসই বাধ নির্মাণ করার লক্ষ্যে স্ট্যাডি রিপোর্ট চলছে। আগামী অর্থবছরে এই কাজ শুরু করা হবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, নোয়াখালী পুলিশ সুপার টিএম মোশারফ হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ মো. হারুন উর রশিদ, সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকিব ওসমান এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলোসহ স্থানীয় নেতারা।
 
 

আরও পড়ুন

×