ঢাকা রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০, আটক ৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০, আটক ৪
×

ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬ | ১৭:৫০ | আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬ | ১৭:৫০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকানের জায়গা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে  দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করেছে। রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সদর উপজেলার নাটাই (উত্তর) ইউনিয়নের থলিয়ারা গ্রামে এ সংঘর্ষ চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, থলিয়ারা গ্রামের বড় গোষ্ঠীর (বাদৈর বাড়ি) জয়নাল মিয়া এবং একই গ্রামের ছোট গোষ্ঠীর (মিন্দালীর বাড়ি) জুবায়ের মিয়ার মধ্যে একটি দোকানঘরকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ সালিশে দোকানটি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয়।

ওই সিদ্ধান্তের জেরে রোববার সকালে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা থেকে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে টেঁটা, বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রের মহড়ার পাশাপাশি ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। 

সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হওয়াসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলেন—মিন্দালীর গোষ্ঠীর জাহার মিয়ার ছেলে সৈয়দ জামান মিয়া (৪৮), ওমর আলীর ছেলে কামাল (৪৫) এবং ওলি মিয়ার ছেলে রুহুল আমীন (২০)। জামান মিয়া ও কামাল মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চার জনকে আটক করেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। 

ঘটনাস্থল থেকে এ পর্যন্ত চারজনকে আটক করা হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আরও পড়ুন

×