ঢাকা শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

অ্যামনেস্টির প্রতিবেদন

মানবাধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের মিশ্র রেকর্ড

মানবাধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের মিশ্র রেকর্ড
×

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২০ | ১৩:০৮

মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে ২০১৯ সালে বাংলাদেশের রেকর্ড ছিল মিশ্র। একদিকে দেশটি প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। অন্যদিকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার অর্জনের দিকেও এগিয়েছে দেশটি। তবে কিছু ক্ষেত্রে নাগরিকদের স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ থামেনি। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর বার্ষিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ নিয়ে এ তথ্য দিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক গবেষক সুলতান মোহাম্মেদ জাকারিয়া বলেন, বাকস্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার অধিকার বিভিন্ন কালো আইনের মাধ্যমে ক্রমবর্ধমানভাবে দমন করা হয়েছে। ফলে মানুষের ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ সক্রিয়ভাবে সংকুচিত হয়েছে। মত প্রকাশের কারণে বাংলাদেশের মানুষকে এখনও হয়রানি বা গ্রেপ্তার হতে হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দমনমূলক ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের মাধ্যমে ভিন্নমতালম্বী কণ্ঠস্বরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে দমিয়ে রাখার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। এ আইনের অধীনে কমপক্ষে ২০ জন আটক হয়েছেন; মামলা হয়েছে ৪০০টি। এ আইনে কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করার ক্ষেত্রে অবাধ সুযোগ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। ফেব্রুয়ারিতে পাঁচ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এই আইনে মামলা দায়ের করা হয়। তাদের অপরাধ ছিল পুলিশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন করা।

নির্বাচনী সভা, রাজনৈতিক সমাবেশ করতে দেওয়া হয়নি রাজনৈতিক বিরোধী দলগুলোকে। সেপ্টেম্বরে পুলিশ অন্তত ১৪টি জেলায় বিএনপিকে সভা করতে দেয়নি। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ অক্টোবরে ভারতের সঙ্গে হওয়া সরকারের একটি চুক্তির সমালোচনা করায় পিটিয়ে হত্যা করে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে। মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে নিরাপত্তা বাহিনী বিচারবহির্ভূতভাবে অন্তত ৩৮৮ জনকে হত্যা করেছে। অনেকে হয়েছেন গুমের শিকার।

আরও পড়ুন

×