ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সভায় বক্তারা

সিডও সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি

সিডও সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৮:০০

নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য নিরসন সনদের (সিডও) দুটি ধারায় সংরক্ষণ বহাল থাকায় নারীর অধিকার রক্ষা ও বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। নারীর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় সরকার কিছু আইন সংস্কারসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কিন্তু সমাজের প্রচলিত পিতৃতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং বৈষম্যমূলক আইন নারীর জীবনে নিরাপত্তা ও সমমর্যাদা নিশ্চিত করতে পারছে না। নারীর ব্যক্তিজীবনের অধিকারহীনতার ক্ষেত্রগুলো একটির সঙ্গে আরেকটি সম্পৃক্ত, যা নারীর অবস্থানে প্রান্তিকতা সৃষ্টি করছে।

গতকাল রোববার আন্তর্জাতিক সিডও দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংগঠনের আনোয়ারা বেগম মুনিরা খান মিলনায়তনে ‘অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রণয়ন: নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এ সভা হয়। এতে বক্তারা সিডও সনদের পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন ও বাস্তবায়ন এবং অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রণয়নের দাবি জানান।  

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতিসংঘ সিডও কমিটির সাবেক সদস্য ফেরদৌস আরা বেগম বলেন, বাংলাদেশ সরকার নারীবান্ধব প্রচুর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করলেও, সিডও সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়নি। এতে সমতার আন্দোলন কার্যকর হচ্ছে না।

ওয়াইডব্লিউসিএ অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হেলেন মনীষা সরকার বলেন, সরকার প্রদত্ত আইন আমাদের নিয়ন্ত্রণ করলেও খ্রিষ্টান নারীরা এখনও সমঅধিকার পাচ্ছে না। বিশেষ ক্ষেত্রে পুরুষরা বিয়ে বিচ্ছেদের অধিকার পেলেও নারীদের জন্য বিষয়টি সহজ নয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। তিনি বলেন, দুই দশকের বেশি সময় ধরে অভিন্ন পারিবারিক আইনের জন্য আন্দোলন চলছে, জেন্ডার ইস্যু রাষ্ট্রীয় নীতির অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সভায় মূল প্রবন্ধে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিয়ে বিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিয়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠী সোচ্চার হয়ে উঠেছে। তবে এ ক্ষেত্রে বিরোধিতাও আছে। এ বিষয়ে সিডও সনদ ও বাংলাদেশের সংবিধানের পরিপ্রেক্ষিতে অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রণয়নের জন্য রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

আরও পড়ুন

×