কাঁদলেন দণ্ডপ্রাপ্তরা, স্বজনদের গড়াগড়ি
প্রিজনভ্যানে করে কারাগারে নেওয়ার পথে আসামিরা কান্নায় ভেঙে পড়েন
সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০১৯ | ০১:২৯ | আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০১৯ | ০৪:১৩
ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলাসহ ১৬ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার সকালে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন প্রত্যেক আসামিই। রায় শুনে দণ্ডপ্রাপ্তরা উচ্চস্বরে কাঁদতে কাঁদতে বলেন- তারা নির্দোষ, তাদেরকে ফাঁসানো হয়েছে, তারা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
আসামিদের মধ্যে কামরুন নাহার মনি গত ২৮ সেপ্টেম্বর কারাগারে সন্তান প্রসব করেন। নবজাতক সন্তানসহ তাকে আদালতে হাজির থাকতে দেখা যায়।
রায় ঘোষণার পর পুলিশ পাহারায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় আসামিদের। কাঠগড়া থেকে পুলিশ ভ্যানে ওঠা পর্যন্ত উচ্চস্বরে চেঁমামেচি করতে দেখা যায় তাদের।
রায়ের খবর জানাজানি হলে আদালত চত্বরে উপস্থিত আসামিদের স্বজনরা চিৎকার করে কাঁদতে থাকেন। এসময় অনেককে মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে দণ্ডাদেশপ্রাপ্তদের নির্দোষ দাবি করতে শোনা যায়।
প্রিজনভ্যানে করে আসামিদের কারাগারে নেয়ার সময় তাদের স্বজনদের কান্নাকাটি, চিৎকার, চেঁচামেচিতে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়।
- বিষয় :
- নুসরাত হত্যা
- নুসরাত
- ফেনী
