ঢাকা সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

উদ্বেগের শেষ কোথায়

উদ্বেগের শেষ কোথায়
×

রাজবংশী রায়

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২০ | ১২:০০

করোনা সংক্রমিত হয়ে শনিবার আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ একই দিনে মৃত্যুবরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের অসাম্প্রদায়িক বরেণ্য এই শীর্ষ দুই রাজনৈতিক নেতার মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই গতকাল মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। সদ্য পদায়নকৃত স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নানের স্ত্রীও করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এর আগে প্রাণঘাতী করোনায় আমরা চিরদিনের জন্য হারিয়েছি সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষাবিদ ড. আনিসুজ্জামানকে। আমরা হারিয়েছি ড. জামিলুর রেজা চৌধুরীকেও।

করোনার কাছে পরাজিত হয়ে চলে গেছেন মোনেম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল মোনেমও। করোনা বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে এ পর্যন্ত ৩৫ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও ২৬ জন পুলিশ সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন। এর বাইরে রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, ব্যাংকার, আইনজীবীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী, সাধারণ মানুষসহ করোনায় এ পর্যন্ত এক হাজার ২০৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি হয়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়ছেন যুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও তার স্ত্রী। আরও কয়েকজন রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, এমপি, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

দেশে করোনা সংক্রমণের শততম দিনে গতকাল সোমবার পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৯০ হাজার ছাড়িয়েছে। এ হিসাবে প্রতিদিন ৯০৬ জন করে আক্রান্ত হয়েছেন। আর প্রতিদিন গড়ে ১২ জনের ওপরে মৃত্যুবরণ করেছেন। সর্বশেষ ১০ দিনে প্রতিদিন গড়ে ৩ হাজার ২৬ জন করে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যুবরণ করেছেন গড়ে প্রায় ৪০ জন।

প্রতিদিন সংক্রমণ ও মৃত্যুর আগের পরিসংখ্যানকে পেছনে ফেলে নতুন রেকর্ড গড়ছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এ অবস্থায় সবার প্রশ্ন একটাই- এই পরিস্থিতির শেষ পরিণতি কোথায়? স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর জবাব খোঁজার চেষ্টা করেছে।

জুলাই পর্যন্ত সংক্রমণের ধারা ঊর্ধ্বমুখী থাকবে :স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আট সদস্যের জনস্বাস্থ্যবিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির সদস্যরা চলতি জুন মাসের মাঝামাঝি সংক্রমণ কমে আসার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান সংক্রমণ পরিস্থিতির সঙ্গে ওই পূর্বাভাস মিলছে না। প্রতিদিনই তিন হাজারের ওপরে মানুষ নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছেন। মৃত্যুও বেড়েছে।

আগের পূর্বাভাস না মেলার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্যবিদদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির প্রধান ও সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেন সমকালকে বলেন, তখন পরিস্থিতি বিবেচনা করে ওই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২৬ মার্চ সরকারি ছুটি ঘোষণার পর হাজার হাজার মানুষ গ্রামে চলে যান। আবার কয়েক দিন পর দলবেঁধে তারা ঢাকা ফেরেন। এরপর ঈদকে সামনে রেখে দোকানপাট খুলে দেওয়া হয়। ঈদের ছুটিতে হাজার হাজার মানুষ ঢাকা থেকে গ্রামে আসা-যাওয়া করেছে। ৩১ মার্চ ছুটি বাতিল করে সবকিছু খুলে দেওয়া হলো। সংক্রমণের পিক টাইমে এই সবকিছু খুলে দেওয়ার পর তো আর আগের পূর্বাভাস ঠিক থাকতে পারে না।

তাহলে তাদের নতুন পূর্বাভাস কী? ডা. শাহ মনির হোসেন বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন করে আমরা একটি পূর্বাভাস দিতে যাচ্ছি। মঙ্গলবার (আজ) এটি চূড়ান্ত করা হবে। ওই পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী জুলাই মাসের শেষ পর্যন্ত সংক্রমণের মাত্রা ঊর্ধ্বমুখী থাকবে এবং আগস্টের শুরুতে গিয়ে তা কমে আসতে শুরু করবে। এই সময়ে আরও এক লাখ ২৫ হাজারের মতো মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে সংক্রমণ পরিস্থিতি এমন থাকতে পারে। কিন্তু আগের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন সংক্রমণ বাড়বে এবং পূর্বাভাসও পরিবর্তন হবে বলে জানান তিনি।

অব্যবস্থাপনায় পথ হারায় বাংলাদেশ, মত বিশেষজ্ঞদের :জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, করোনা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করার প্রয়োজন ছিল, সঠিক সময়ে যথাযথভাবে সেগুলো গ্রহণ করা যায়নি। এ কারণে করোনা প্রতিরোধে পথ হারিয়েছে বাংলাদেশ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা অব্যবস্থাপনা। এতে করে সমগ্র জনগোষ্ঠীর জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, সঠিক সময়ে পরিস্থিতি অনুধাবন করে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এখন আমরা সবাই মিলে এর মাশুল দিচ্ছি। চীনে সংক্রমণের পর যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করার প্রয়োজন ছিল স্বাস্থ্য বিভাগ তা গ্রহণ করেনি। প্রথমত, চীনের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। চীন থেকে যখন ভাইরাসটি বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে সংক্রমণ ছড়াল, ওই সব দেশ থেকে কয়েক লাখ মানুষকে দেশে প্রবেশ করানো হলো। প্রত্যেকটি নাগরিকের তার নিজ দেশে আসার অধিকার রয়েছে। কিন্তু সরকারের উচিত ছিল তাদের নির্দিষ্ট স্থানে নূ্যনতম ১৪ দিন পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে রাখা। এরপর নমুনা পরীক্ষায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে আইসোলেশনে নিয়ে যাওয়া এবং তার সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইন করা। এটি না করে তাদের কেবল স্ত্রিনিং করে ছেড়ে দেওয়া হলো। ওই বিদেশফেরত ব্যক্তিদের মাধ্যমেই প্রথম সংক্রমণ শুরু হয়েছিল। এরপর তার পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশী হয়ে সারাদেশে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। তাহলে এই অব্যবস্থাপনার দায় কার?

ডা. নজরুল ইসলাম আরও বলেন, প্রথমে ঢাকার কয়েকটি স্থান ও মাদারীপুরে সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছিল। তখনও স্বাস্থ্য বিভাগ দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে ওই এলাকাগুলো লকডাউন করে কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের কাজটি করলেও আজ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এরপর ঢাকার পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরেও সংক্রমণ ছড়াল। কিন্তু এসব এলাকায় যা যা পদক্ষেপ গ্রহণ করার প্রয়োজন ছিল, তা করা হয়নি। এতে করে সংক্রমণ ব্যাপক মাত্রায় বিস্তার ঘটিয়ে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে।

চিকিৎসকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই মাহবুব সমকালকে বলেন, করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিভাগের কার্যক্রম পর্যালোচনা করলে বলা যায়, তারা করোনার পেছনে ছুটছেন। এভাবে পেছনে ছুটে তো কাউকে প্রতিরোধ করা যায় না। প্রতিরোধ করতে হলে আগে ছুটতে হবে।

জোনভিত্তিক কার্যক্রমের উদাহরণ তুলে ধরে ডা. রশিদ-ই মাহবুব বলেন, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে দেশকে ভাগ করে কার্যক্রম শুরুর কথা বললেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা কার্যক্রমটি শুরু করতে পারেননি। অথচ করোনার সংক্রমণ তো থেমে নেই। এই দুই সপ্তাহে আরও ৪৫ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। অথচ আরও দুই সপ্তাহ আগে এটি কার্যকর করা গেলে পরিস্থিতি এমন হতো না। শুরু থেকে প্রত্যেকটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে এভাবে সময়ক্ষেপণ করা হয়েছে। এতে করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

শততম দিনে করোনার প্রাদুর্ভাব

প্রথম আক্রান্ত ৩ জন : দেশে প্রথম করোনার সংক্রমণ ঘটে ৮ মার্চ। ওইদিন তিনজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

প্রথম ১০ দিনে সংক্রমিত হন ১০ : প্রথম সংক্রমণের ১০ দিনের মাথায় ১৭ মার্চ আক্রান্তের সংখ্যা ১০ জনে পৌঁছায়।

প্রথম মৃত্যু : ১৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় একজনের মৃত্যু হয়। ওই দিন চারজনসহ মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ জনের পৌঁছায়।

২০তম দিনে সংক্রমণ : সংক্রমণের পরের ১০ দিনের মাথায় ২৭ মার্চ আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ জনের পৌঁছায়। এই ১০ দিনে আক্রান্ত হয় ৪০ জন। এই সময়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়। মোট মৃতের সংখ্যা পাঁচজনে পৌঁছায়।

৩০তম দিনে সংক্রমণ : ঢাকাকেন্দ্রিক সংক্রমণ পরবর্তী ১০ দিনে দেশের ১৫ জেলায় ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তী ১০ দিনের মাথায় ৬ এপ্রিল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১২৩ জনে পৌঁছায়। এই সময়ে আরও ৭৫ জন আক্রান্ত হয়। এই সময়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়। মোট মৃতের সংখ্যা ১২ জনে পৌঁছায়।

৪০তম দিনে সংক্রমণ : জ্যামিতিক হারে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। ১৬ এপ্রিল আক্রান্তের সংখ্যা একে হাজার ৫৭২ জন ও মৃতের সংখ্যা ৬০ জনে পৌঁছায়। এ সময় ১০ দিনে এক হাজার ৪৪৯ জন আক্রান্ত হয়। একই সময়ে মৃত্যু হয় ৪৮ জনের।

৫০তম দিনে সংক্রমণ : সংক্রমণ পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতি হতে থাকে। পরবর্তী ১০ দিনের মাথায় ২৬ এপ্রিল আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৪১৬ জন ও মৃত্যুর সংখ্যা ১৪৫ জনে পৌঁছায়। এই ১০ দিনে আরও তিন হাজার ৮৪৪ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়। একই সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেন আরও ৮৫ জন।

৬০তম দিনে সংক্রমণ : সংক্রমণ পরিস্থিতি বিস্তৃতি ঘটিয়ে ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তী ১০ দিনের মাথায় ৬ মে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ৭১৯ জন ও মৃত্যুর সংখ্যা ১৮৬ জনে পৌঁছায়। এই ১০ দিনে আরও ৬ হাজার ৩০৩ জন আক্রান্ত হয়। মৃত্যুবরণ করেন আরও ৪১ জন।

৭০তম দিনে সংক্রমণ : সংক্রমণ পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হতে থাকে। পরবর্তী ১০ দিনের মাথায় আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৯৯৫ জন ও মৃত্যুর সংখ্যা ৩১৪ জনে পৌঁছায়। এই ১০ দিনে আরও ৯ হাজার ২৭৬ জন আক্রান্ত হয়। একইসঙ্গে মৃত্যু হয় আরও ১২৮ জনের।

৮০তম দিনে সংক্রমণ : পরবর্তী ১০ দিনের আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬ হাজার ৭৫১ ও মৃত্যুর সংখ্যা ৫২২ জনে পৌঁছায়। এই সময় প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজারের ওপরে মানুষ আক্রান্ত হয়। এই ১০ দিনে আক্রান্ত হয় ১৫ হাজার ৭৫৬ জন। মোট আক্রান্ত হয় ৩৬ হাজার ৭৫১ জন। একই সময়ে মৃত্যুবরণ করেন ২০৮ জন।

৯০তম দিনে সংক্রমণ : পরবর্তী ১০ দিনের মাথায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজার ৩৫১ জন ও মৃত্যুর সংখ্যা ৮১১ জনে পৌঁছায়। এই ১০ দিনে প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার ৩৬০ জন করে আক্রান্ত হয়। এই সময়ে আক্রান্ত হয় ২৩ হাজার ৬০০ জন। একই সময়ে মৃত্যুবরণ করেন ২৮৯ জন।

১০০তম দিনে সংক্রমণ : পরবর্তী ১০ দিনের মাথায় গতকাল ১৫ মে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯০ হাজার ৬১৯ জন ও মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ২০৯ জনে পৌঁছায়। সর্বশেষ ১০ দিনে ৩০ হাজার ২৬৮ জন আক্রান্ত হয়। প্রতিদিন গড়ে ৩ হাজার ২৬ জন করে আক্রান্ত হয়। একই সময়ে মৃত্যুবরণ করেন ৩৯৮ জন।

মন্ত্রীর ভাষ্য : করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সমকালকে বলেন, জীবন ও জীবিকার সমন্বয় করতে গিয়ে আমরা যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে পারিনি। এ কারণে সংক্রমণ পরিস্থিতি বেড়েছে- এটি সত্য। কিন্তু আমাদের বিকল্প কোনো উপায় ছিল না। এ কারণে জীবন ও জীবিকার সমন্বয় করে নতুন করে জোনভিত্তিক কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি। এতে করে অধিক সংক্রমিত এলাকাগুলোকে লকডাউন দেওয়া হবে এবং ইয়েলো ও গ্রিন জোনে পৃথকভাবে কার্যক্রম চালানো হবে। এতে অর্থনীতির গতিও স্বাভাবিক থাকবে এবং করোনাও নিয়ন্ত্রণে আসবে। তবে দ্রুততম সময়ে এই কার্যক্রম শুরু করার কথা বললেও সুনির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণের কথা বলেননি মন্ত্রী।

আরও পড়ুন

×