বিমানকে সৌদির জরিমানার ঘটনা ২০১৭ সালের: মন্ত্রণালয়
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২০ | ০৭:১৪ | আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২০ | ০৯:০০
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে সৌদি আরবের (৪ লাখ ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল) এক কোটি ১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা জরিমানার বিষয়টি ২০১৭ সালের এবং এটি খতিয়ে দেখতে সম্প্রতি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
বুধবার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'বিমানকে এক কোটি টাকা জরিমানা করেছে সৌদি আরব' গত কয়েক দিন ধরে এমন শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে সংবাদ পরিবেশিত হচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রকৃত বিষয় হলো- বিমানকে জরিমানার ঘটনাটি ২০১৭ সালের মার্চ ও তার নিকটবর্তী সময়ের। যার বা যাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যে অবহেলার কারণে এই জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে হয়েছিল ওই ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মূলত বিমানের বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নজরে বিষয়টি আসা মাত্রই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, সৌদি আরবের জেদ্দা হেলথ ডিপার্টমেন্টের নিয়ম অনুযায়ী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-জেদ্দা-ঢাকা রুটে পরিচালিত ফ্লাইটে 'ওয়ান শট স্প্রে' নামক একটি জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়। যা বিমানের ফ্লাইটেও যথাযথভাবে করা হয়ে থাকে। নির্ধারিত এই জীবাণুনাশক দেওয়ার পর তার খালি টিউবগুলো নিয়ম অনুযায়ী জেদ্দা হেলথ ডিপার্টমেন্টের কাছে পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করার কথা ছিল। কিন্তু ওই সময় বিমানের ওই ফ্লাইটে কর্মরত কারও কারও অবহেলার জন্য তা যথাযথভাবে ও নির্দিষ্ট সংখ্যায় উপস্থাপন করা হয়নি। সৌদি কর্তৃপক্ষ ২০১৭ সালের মার্চ বা তার নিকটবর্তী সময়ে এরকম বেশ কয়েকটি ঘটনায় জরিমানা করেন। জরিমানার টাকা ওই সময়েই পরিশোধ করা হয়েছে। বিষয়টি তখন তদন্ত কার্যক্রমের বাইরে রয়ে গিয়েছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব নেওয়ার পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স থেকে বিদ্যমান সব অনিয়ম দূর করার আন্তরিক প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে বিমানে কর্মরত কারও অবহেলার কারণে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় অর্থ ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণকারী এ ধরনের কর্মকাণ্ড রোধ করতে এই তদন্ত আবশ্যক। এছাড়া আগের বা বর্তমানের যে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে বিমান কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। বিমান কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে রাষ্ট্রীয় ভাবমূর্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয় এ রকম কাজের জন্য প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের শনাক্ত করে শাস্তির মুখোমুখি করলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড রোধ করা সম্ভব হবে।