'শাজাহান সিরাজের অবদান মানুষ মনে রাখবে'
×
অমরেশ রায় ও কামরুল হাসান
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২০ | ১২:০০
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠকারী শাজাহান সিরাজকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন তার এক সময়ের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও সহকর্মীরা। তারা বলেছেন, 'স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে শাজাহান সিরাজ যে অবদান রেখে গেছেন, মানুষ তা আজীবন মনে রাখবে।'
গতকাল বুধবার সমকালের সঙ্গে আলাপকালে সদ্যপ্রয়াত শাজাহান সিরাজের সঙ্গে জীবনের অনেক স্মৃতিময় ঘটনার কথাও স্মরণ করেছেন রাজনীতিক বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি ও ডাকসুর আরেক সাবেক ভিপি আ স ম আবদুর রব, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও চার খলিফার অন্যতম নূরে আলম সিদ্দিকী এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি অধ্যাপক মাহফুজা খানম। তারা বলেছেন, শাজাহান সিরাজের মৃত্যুতে দেশ ও জাতির যে ক্ষতি হলো, সেটা অনেকটাই অপূরণীয়।
ডাকসুর সাবেক ভিপি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, 'ভালো-মন্দ মিলিয়েই মানুষ। তবে বড় কথা হলো, যে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুই আসলে দুঃখজনক। শাজাহান সিরাজ এই দেশের জন্য অনেক ভালো অবদানও রেখে গেছেন। তিনি দেশের জন্য যে অবদান রেখেছেন, সেটাকেই স্মরণ করি।' তিনি বলেন, 'শাজাহান সিরাজের সঙ্গে আমারও ভালো-মন্দ ও অম্ল-মধুর অনেক স্মৃতি রয়েছে। একটা সময় আমরা খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলাম।
অনেক সময় আমরা একসঙ্গে লড়াই-সংগ্রামও করেছি। ওই সময় তার মালিবাগের বাসায় গিয়েও অনেক আড্ডা দিয়েছি তার ও ভাবির সঙ্গে। তারপর পানি অনেক দূর গড়িয়েও গেছে। সেটা অন্য ঘটনা। তবে তার মৃত্যুর পর লড়াই-সংগ্রাম আর দেশের জন্য অবদানের কথাই আজ বেশি করে মনে পড়ছে।'
ডাকসুর আরেক সাবেক ভিপি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, শাজাহান সিরাজের সঙ্গে তার যত স্মৃতি, আন্দোলন-সংগ্রামের ঘটনা এবং জীবনমৃত্যুর লড়াইয়ে একে অন্যের সম্পৃক্ততা, সেসব তার পক্ষে কোনো ভাষায় তুলে আনা সম্ভব নয়। পাকিস্তানি রাষ্ট্রকাঠামো থেকে বিচ্ছিন্ন করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নির্মাণের দীর্ঘ পথযাত্রায় একে অপরের সহযাত্রী ছিলেন তারা। সেই লক্ষ্যে ছাত্র-যুবসমাজকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত ও সম্পৃক্ত করার উজ্জ্বল প্রেরণায়ও তারা দু'জন ছিলেন একে অন্যের অংশীদার।
আ স ম রব বলেন, 'হুলিয়া গ্রেপ্তার আত্মগোপন আন্দোলন রচনার কৌশল আমরা একসঙ্গে নির্ধারণ করেছি। মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে হাজার জনতার সঙ্গে বজ্রকণ্ঠে স্লোগান দিয়েছি। ছাত্ররাজনীতিতে আমরা দু'জনই স্বাধীনতার রূপকার সিরাজুল আলম খানের নির্দেশে সম্পৃক্ত হই। আমাদের রাজনীতির নেপথ্য নায়ক তিনি। সিরাজুল আলম খান আমাদের মতো হাজার হাজার তরুণের মনে স্বাধীনতার স্বপ্ন বপন করে দিয়েছেন। তার দুর্জয় সাহস স্থির বুদ্ধি অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আমাদের সকল কাজের প্রেরণা হয়ে ওঠে।'
তিনি বলেন, 'আজ এদেশের মানুষ যে স্বাধীন দেশের নাগরিক, সেই স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের ইশতেহার পাঠ করেছিলেন শাজাহান সিরাজ। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ ঘোষণা করা হয়েছে- এই ছিল ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৩ মার্চ ঘোষিত সেই ইশতেহারের প্রথম বাক্য। এই ইশতেহারে বলা হয়েছিল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক।'
রব জানান, তারা একসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। ১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষাভিত্তিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের প্রয়োজনে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিরোধী দল জাসদ গঠনেও একসঙ্গে ছিলেন তারা। একসঙ্গে কারাগারেও দিন কেটেছে। মৃত্যুও তাদের বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না। শাজাহান সিরাজ তার আত্মার অংশ।
শাজাহান সিরাজের আরেক সহযোদ্ধা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতার অন্যতম তেজোদীপ্ত প্রাণ শাজাহান সিরাজের মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান তিনি। তার হৃদয়ের তন্ত্রীতে তন্ত্রীতে শোকের মূর্ছনা। তিনি প্রয়াত এই নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বাহ্যিকভাবে শাজাহান সিরাজের সঙ্গে তার আদর্শিক মতপার্থক্য চলে আসছিল স্বাধীনতার আগে থেকেই। কিন্তু স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রশ্নে তারা উভয়েই একমত ছিলেন। তবে শাজাহান সিরাজ ও তার অনুসারীরা ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ চাননি। বরং তাদের স্লোগান ছিল, 'ভোটের বাক্সে লাথি মারো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো।' যদিও ১৯৭০-এর নির্বাচনে তারা ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে নৌকার পক্ষেই কাজ করেছিলেন। পরে তারা বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।
নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, দলের অভ্যন্তরে মতপার্থক্য যত প্রকটই হোক না কেন, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে তারা অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং আন্তরিকভাবে ভ্রাতৃপ্রতিম ছিলেন। উভয়েই নিয়মমাফিক সপরিবারে একে অপরের বাসায় যেতেন। সেখানে রাজনৈতিক মতামত তাদের কখনও প্রভাবান্বিত করেনি। রাজনৈতিকভাবে শাজাহান সিরাজ তার অনেকটা প্রতিপক্ষ হলেও ব্যক্তিগত পর্যায়ে ছিলেন সহোদর প্রতিম।
ডাকসুর সাবেক ভিপি অধ্যাপক মাহফুজা খানম বলেন, শাজাহান সিরাজ ছিলেন তার (মাহফুজা) সিনিয়র। যিনি একেবারে প্রত্যক্ষভাবে ছয় দফা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। '৬৬-৬৭ সালের এই ছয় দফা আন্দোলনের সঙ্গে শাজাহান সিরাজসহ চার খলিফাও যুক্ত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধেও শাজাহান সিরাজের অবদান ছিল।
মাহফুজা খানম বলেন, 'কিন্তু পরে শাজাহান ভাইয়ের যে ইতিহাস, তা নিয়ে আমি বেশি বলতে আগ্রহী নই। কারণ আমি একটা মানুষকে বিচার করি তার সমগ্র জীবনের শুভকর্ম দিয়ে। সত্যের জায়গা থেকে সরে যাওয়া একজন ভালো মানুষের লক্ষণ নয় বলেও মনে করি। এ কারণে আমি তার সম্পর্কে খুব বেশি কিছু বলতে চাই না।'
গতকাল বুধবার সমকালের সঙ্গে আলাপকালে সদ্যপ্রয়াত শাজাহান সিরাজের সঙ্গে জীবনের অনেক স্মৃতিময় ঘটনার কথাও স্মরণ করেছেন রাজনীতিক বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি ও ডাকসুর আরেক সাবেক ভিপি আ স ম আবদুর রব, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও চার খলিফার অন্যতম নূরে আলম সিদ্দিকী এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি অধ্যাপক মাহফুজা খানম। তারা বলেছেন, শাজাহান সিরাজের মৃত্যুতে দেশ ও জাতির যে ক্ষতি হলো, সেটা অনেকটাই অপূরণীয়।
ডাকসুর সাবেক ভিপি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, 'ভালো-মন্দ মিলিয়েই মানুষ। তবে বড় কথা হলো, যে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুই আসলে দুঃখজনক। শাজাহান সিরাজ এই দেশের জন্য অনেক ভালো অবদানও রেখে গেছেন। তিনি দেশের জন্য যে অবদান রেখেছেন, সেটাকেই স্মরণ করি।' তিনি বলেন, 'শাজাহান সিরাজের সঙ্গে আমারও ভালো-মন্দ ও অম্ল-মধুর অনেক স্মৃতি রয়েছে। একটা সময় আমরা খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলাম।
অনেক সময় আমরা একসঙ্গে লড়াই-সংগ্রামও করেছি। ওই সময় তার মালিবাগের বাসায় গিয়েও অনেক আড্ডা দিয়েছি তার ও ভাবির সঙ্গে। তারপর পানি অনেক দূর গড়িয়েও গেছে। সেটা অন্য ঘটনা। তবে তার মৃত্যুর পর লড়াই-সংগ্রাম আর দেশের জন্য অবদানের কথাই আজ বেশি করে মনে পড়ছে।'
ডাকসুর আরেক সাবেক ভিপি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, শাজাহান সিরাজের সঙ্গে তার যত স্মৃতি, আন্দোলন-সংগ্রামের ঘটনা এবং জীবনমৃত্যুর লড়াইয়ে একে অন্যের সম্পৃক্ততা, সেসব তার পক্ষে কোনো ভাষায় তুলে আনা সম্ভব নয়। পাকিস্তানি রাষ্ট্রকাঠামো থেকে বিচ্ছিন্ন করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নির্মাণের দীর্ঘ পথযাত্রায় একে অপরের সহযাত্রী ছিলেন তারা। সেই লক্ষ্যে ছাত্র-যুবসমাজকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত ও সম্পৃক্ত করার উজ্জ্বল প্রেরণায়ও তারা দু'জন ছিলেন একে অন্যের অংশীদার।
আ স ম রব বলেন, 'হুলিয়া গ্রেপ্তার আত্মগোপন আন্দোলন রচনার কৌশল আমরা একসঙ্গে নির্ধারণ করেছি। মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে হাজার জনতার সঙ্গে বজ্রকণ্ঠে স্লোগান দিয়েছি। ছাত্ররাজনীতিতে আমরা দু'জনই স্বাধীনতার রূপকার সিরাজুল আলম খানের নির্দেশে সম্পৃক্ত হই। আমাদের রাজনীতির নেপথ্য নায়ক তিনি। সিরাজুল আলম খান আমাদের মতো হাজার হাজার তরুণের মনে স্বাধীনতার স্বপ্ন বপন করে দিয়েছেন। তার দুর্জয় সাহস স্থির বুদ্ধি অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আমাদের সকল কাজের প্রেরণা হয়ে ওঠে।'
তিনি বলেন, 'আজ এদেশের মানুষ যে স্বাধীন দেশের নাগরিক, সেই স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের ইশতেহার পাঠ করেছিলেন শাজাহান সিরাজ। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ ঘোষণা করা হয়েছে- এই ছিল ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৩ মার্চ ঘোষিত সেই ইশতেহারের প্রথম বাক্য। এই ইশতেহারে বলা হয়েছিল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক।'
রব জানান, তারা একসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। ১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষাভিত্তিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের প্রয়োজনে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিরোধী দল জাসদ গঠনেও একসঙ্গে ছিলেন তারা। একসঙ্গে কারাগারেও দিন কেটেছে। মৃত্যুও তাদের বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না। শাজাহান সিরাজ তার আত্মার অংশ।
শাজাহান সিরাজের আরেক সহযোদ্ধা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতার অন্যতম তেজোদীপ্ত প্রাণ শাজাহান সিরাজের মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান তিনি। তার হৃদয়ের তন্ত্রীতে তন্ত্রীতে শোকের মূর্ছনা। তিনি প্রয়াত এই নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বাহ্যিকভাবে শাজাহান সিরাজের সঙ্গে তার আদর্শিক মতপার্থক্য চলে আসছিল স্বাধীনতার আগে থেকেই। কিন্তু স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রশ্নে তারা উভয়েই একমত ছিলেন। তবে শাজাহান সিরাজ ও তার অনুসারীরা ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ চাননি। বরং তাদের স্লোগান ছিল, 'ভোটের বাক্সে লাথি মারো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো।' যদিও ১৯৭০-এর নির্বাচনে তারা ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে নৌকার পক্ষেই কাজ করেছিলেন। পরে তারা বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।
নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, দলের অভ্যন্তরে মতপার্থক্য যত প্রকটই হোক না কেন, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে তারা অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং আন্তরিকভাবে ভ্রাতৃপ্রতিম ছিলেন। উভয়েই নিয়মমাফিক সপরিবারে একে অপরের বাসায় যেতেন। সেখানে রাজনৈতিক মতামত তাদের কখনও প্রভাবান্বিত করেনি। রাজনৈতিকভাবে শাজাহান সিরাজ তার অনেকটা প্রতিপক্ষ হলেও ব্যক্তিগত পর্যায়ে ছিলেন সহোদর প্রতিম।
ডাকসুর সাবেক ভিপি অধ্যাপক মাহফুজা খানম বলেন, শাজাহান সিরাজ ছিলেন তার (মাহফুজা) সিনিয়র। যিনি একেবারে প্রত্যক্ষভাবে ছয় দফা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। '৬৬-৬৭ সালের এই ছয় দফা আন্দোলনের সঙ্গে শাজাহান সিরাজসহ চার খলিফাও যুক্ত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধেও শাজাহান সিরাজের অবদান ছিল।
মাহফুজা খানম বলেন, 'কিন্তু পরে শাজাহান ভাইয়ের যে ইতিহাস, তা নিয়ে আমি বেশি বলতে আগ্রহী নই। কারণ আমি একটা মানুষকে বিচার করি তার সমগ্র জীবনের শুভকর্ম দিয়ে। সত্যের জায়গা থেকে সরে যাওয়া একজন ভালো মানুষের লক্ষণ নয় বলেও মনে করি। এ কারণে আমি তার সম্পর্কে খুব বেশি কিছু বলতে চাই না।'
- বিষয় :
- স্মরণ