নৌপরিবহন অধিদপ্তর
সিএনএস গিয়াসের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দুদকের
ফাইল ছবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ২৩:০৩
সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার (সিএনএস) ক্যাপ্টেন গিয়াস উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুদক। তাঁর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধানে ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮২২ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং ৪ কোটি ৭৪ লাখ ৭১ হাজার ১৯৭ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য উঠে এসেছে।
জানা গেছে, দুদক থেকে গত ২৮ আগষ্ট মামলার অনুমোদন দিয়ে এক চিঠি জারি করা হয়েছে। এর আগে এ বিষয়ে দুদকে লিখিত অভিযোগ আসলে দুদক ক্যাপ্টেন গিয়াসের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। দুদকের সহকারী পরিচালক মেহেদী মুসা জেবিনকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি অনুসন্ধানে উল্লিখিত তথ্য গোপন ও জ্ঞাতবহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পান।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়, ক্যাপ্টেন গিয়াস উদ্দিন প্রাক্তন নটিক্যাল সার্ভেয়ার অ্যান্ড এক্সামিনার এবং কন্ট্রোলার অব মেরিটাইম এডুকেশন, বর্তমানে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের সিএনএসের দায়িত্বে আছেন। তিনি তাঁর দাখিলকরা সম্পদ বিবরণীতে ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮২২ টাকার সম্পদ গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি চাকরিতে দায়িত্বশীল পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৪ কোটি ৭৪ লাখ ৭১ হাজার ১৯৭ টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূণ সম্পদ অর্জন করেছেন।
এর আগে সিএনএস ক্যাপ্টেন গিয়াসের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগসম্বলিত প্রতিবেদন সমকালসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছিল, গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর উপজেলার বাসিন্দা ক্যাপ্টেন গিয়াস গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নৌপরিবহন অধিদপ্তরে জাল কাগজপত্র জমা দিয়ে চাকরি পান। এরপর সাবেক বিমানমন্ত্রী ফারুক খানের তদবিরে পান সিএনএস পদোন্নতি। এরপর থেকে নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হন।
এদিকে দুদকের মামলা অনুমোদনের খবর পাওয়ার পর থেকেই ক্যাপ্টেন গিয়াস প্রায়শই অফিসে অনুপস্থিত থাকেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। মামলা ঠেকাতে নানাভাবে তিনি তৎপরতা চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে জানতে সিএনএস ক্যাপ্টেন গিয়াসকে ফোন করা হলেও নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে।
- বিষয় :
- দুদক মামলা
- দুদক
