ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

ডিএনসিসিতে শুরু জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন, লক্ষ্য ৫ লাখ শিশু

ডিএনসিসিতে শুরু জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন, লক্ষ্য ৫ লাখ শিশু
×

দেশের চার বিভাগে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন চলছে। আজ রোববার কড়াইল বস্তি থেকে তোলা ছবি: মামুনুর রশিদ

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬ | ১২:৩২ | আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬ | ১৩:০৬

রাজধানীর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় শিশুদের হাম-রুবেলা থেকে সুরক্ষা দিতে আজ রোববার থেকে শুরু হয়েছে ‘জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’। ১২ এপ্রিল থেকে ১১ মে পর্যন্ত চলবে এই কার্যক্রম। এ সময়ের মধ্যে প্রায় ৫ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ সকালে রাজধানীর কড়াইল এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী প্রতিটি শিশুকে এই টিকার আওতায় আনতে হবে। তিনি জানান, প্রথমে দেশের ১৭টি উপজেলায় এবং পরে ৪টি সিটি করপোরেশনে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম চালু হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, মহাখালীতে অবস্থিত ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালকে একটি পূর্ণাঙ্গ জেনারেল হাসপাতালে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে নগরবাসীকে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া যায়।

ডিএনসিসি সূত্র জানায়, এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সব শিশুকে হাম-রুবেলাপ্রতিরোধী টিকা দেওয়া হবে। এ জন্য এলাকায় ৫৪টি স্থায়ী ও ৫০২টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩৫টি ইভিনিং সেন্টার ও ৮টি ফ্রাইডে সেন্টার চালু থাকবে।

ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে ৫৯৪ জন টিকাদানকর্মী, ৬৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং ২০৩ জন তদারককারী দায়িত্ব পালন করছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফের ইমিউনাইজেশন হেলথ ম্যানেজার ডা. রিয়াদ মাহমুদ, বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. রাজেশ নারওয়াল এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গবেষণা কর্মকর্তা মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী।

অনুষ্ঠানে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, নির্ধারিত কেন্দ্রে নিয়ে এসে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের এই টিকা নিশ্চিত করতে।

আরও পড়ুন

×