ঢাকা সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে মোদিসহ বিশ্ব নেতাদের আমন্ত্রণ

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে মোদিসহ বিশ্ব নেতাদের আমন্ত্রণ
×

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২০ | ০৯:৫৬ | আপডেট: ০৭ জানুয়ারি ২০২০ | ১১:০৬

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর উদযাপনে অংশ নেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ভুটানের রাজা জিগমে খেশার ওয়াংচুকসহ বিশ্ব নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বছরজুড়ে বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠান করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গঠিত উপকমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বছরজুড়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করে সারা পৃথিবীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ছড়িয়ে দিতে প্রস্তুতি নিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তিন শতাধিক অনুষ্ঠান আয়োজনের কর্মসূচি নিয়েছে।

তিনি আরও জানান, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর আয়োজনে অংশ নেওয়ার জন্য বিশ্ব নেতাদের অনেককেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এরই মধ্যে আমন্ত্রিত হয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ভুটানের রাজা ওয়াংচুক, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, ভারতীয় কংগ্রেসের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্স জায়েদ আল নাহিয়ান, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ, ওআইসি সেক্রেটারি জেনারেল ও আরব লিগের সাবেক কর্মকর্তা আমির মুসা এবং ইউনেস্কোর সাবেক নির্বাহী প্রধান ইরিনা বুকোভা।

অনেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এবং অনেকে মৌখিকভাবে আসতে সম্মতি জানিয়েছেন বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আমন্ত্রিতদের মধ্যে আগামী ১৭ মার্চ ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর আয়োজনে কোন কোন নেতা আসছেন জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ওই অনুষ্ঠানে কাকে আনব তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে ১৭ মার্চের অনুষ্ঠানে আমরা নির্বাচিত অতিথিদের আনার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যেমন ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ২৫ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে নেলসন ম্যান্ডেলা, ইয়াসির আরাফাতসহ চারজন বিশ্ব নেতা এসেছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিন শতাধিক কর্মসূচির মধ্যে এখন পর্যন্ত ৭৭টি মিশনে ২৬১টি কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়েছে। ১২টি বড় মিশনে বড় আকারে চিত্রকলা প্রদর্শনী আয়োজন করা হবে এবং দেশের শিল্পীরাও সেখানে যাবেন। এ ছাড়া আঙ্কারা, দিল্লি, ফিলিস্তিন, কম্বোডিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বঙ্গবন্ধুর নামে সড়কের নামকরণ হচ্ছে, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু চেয়ার বা সেন্টার করার উদ্যোগও নিয়েছে সরকার। জার্মানি, থাইল্যান্ড ও পোল্যান্ডের ওয়ারশতে বঙ্গবন্ধু চেয়ার আছে। কেমব্রিজে বঙ্গবন্ধু সেন্টার হয়েছে। বঙ্গবন্ধু চেয়ার তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

×