শেয়ার বাজার
এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়ে আড়াই গুণ
×
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৮:০০
গত সপ্তাহের রোববার ঢাকার শেয়ারবাজার ডিএসইতে ২৮৪ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়। এক সপ্তাহ পর গতকাল রোববার এ বাজারের লেনদেন বেড়ে আড়াই গুণ হয়েছে, যার পরিমাণ ৭১১ কোটি টাকা। এ লেনদেন গত বছরের ১৪ নভেম্বরের পর বা সর্বশেষ দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ওই দিন ডিএসইতে ৭১৪ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছিল।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত সপ্তাহের রোববার থেকে মূলত বীমা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শেয়ারে ভর করে লেনদেন বাড়ছে। গতকালের লেনদেনে বীমা খাতের ৫৬ কোম্পানির লেনদেন ছিল ১৩৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকার, যা মোটের ১৮ শতাংশ। আর তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ১০ কোম্পানির ১৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা মোটের ১৯ শতাংশ।
দুই খাতের বাইরে আরও কিছু শেয়ারের লেনদেনও বাড়ছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, ওরিয়ন ফার্মা, বসুন্ধরা পেপার, ইন্ট্রাকো সিএনজি রিফুয়েলিং, সি পার্ল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, ইস্টার্ন হাউজিং, বেক্সিমকো লিমিটেড ও নাভানা ফার্মা উল্লেখযোগ্য। এদিকে গতকাল লেনদেনের নিচের দিকে থাকা ২৬১ শেয়ারের কেনাবেচা হয়েছে ৩১ কোটি টাকার, যা মোটের মাত্র সোয়া ৪ শতাংশ।
বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস কর্মকর্তারা জানান, লেনদেন বাড়লেও গত কয়েক সপ্তাহের লেনদেনের যে ধারা ছিল, তাতে খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। গুটিকয় শেয়ারে ভর করে লেনদেন বাড়ছে। এ লেনদেনে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কম। এখনও লেনদেন মুষ্টিমেয় কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের সিংহভাগ সীমাবদ্ধ আছে।
শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, কৃত্রিমভাবে শেয়ারদর ও লেনদেন বৃদ্ধি কখনোই শেয়ারবাজার বা বিনিয়োগকারীদের জন্য ভালো ফল বয়ে আনে না। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন, লাভবান হন মুষ্টিমেয় মানুষ। আখেরে শেয়ারবাজার মন্দায় পড়লে সবারই তার নেতিবাচক ফল ভোগ করেন।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ৩৯১ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩৬১টির কেনাবেচা হয়েছে। ক্রেতার অভাবে ৩০ শেয়ারের কোনো লেনদেন হয়নি। যেসব শেয়ারের লেনদেন হয়েছে, তার মধ্যে ১১০টির দর বেড়েছে, কমেছে ৬১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৯০টির দর। তবে দর বৃদ্ধি পাওয়া ১১০ শেয়ারের ৪৮টিই ছিল বীমা খাতের। এ খাতের তালিকাভুক্ত শেয়ার আছে ৫৬টি। ১৬৭ শেয়ার থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পরও গতকাল ১৬২ শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে ছিল।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত সপ্তাহের রোববার থেকে মূলত বীমা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শেয়ারে ভর করে লেনদেন বাড়ছে। গতকালের লেনদেনে বীমা খাতের ৫৬ কোম্পানির লেনদেন ছিল ১৩৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকার, যা মোটের ১৮ শতাংশ। আর তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ১০ কোম্পানির ১৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা মোটের ১৯ শতাংশ।
দুই খাতের বাইরে আরও কিছু শেয়ারের লেনদেনও বাড়ছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, ওরিয়ন ফার্মা, বসুন্ধরা পেপার, ইন্ট্রাকো সিএনজি রিফুয়েলিং, সি পার্ল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, ইস্টার্ন হাউজিং, বেক্সিমকো লিমিটেড ও নাভানা ফার্মা উল্লেখযোগ্য। এদিকে গতকাল লেনদেনের নিচের দিকে থাকা ২৬১ শেয়ারের কেনাবেচা হয়েছে ৩১ কোটি টাকার, যা মোটের মাত্র সোয়া ৪ শতাংশ।
বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস কর্মকর্তারা জানান, লেনদেন বাড়লেও গত কয়েক সপ্তাহের লেনদেনের যে ধারা ছিল, তাতে খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। গুটিকয় শেয়ারে ভর করে লেনদেন বাড়ছে। এ লেনদেনে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কম। এখনও লেনদেন মুষ্টিমেয় কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের সিংহভাগ সীমাবদ্ধ আছে।
শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, কৃত্রিমভাবে শেয়ারদর ও লেনদেন বৃদ্ধি কখনোই শেয়ারবাজার বা বিনিয়োগকারীদের জন্য ভালো ফল বয়ে আনে না। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন, লাভবান হন মুষ্টিমেয় মানুষ। আখেরে শেয়ারবাজার মন্দায় পড়লে সবারই তার নেতিবাচক ফল ভোগ করেন।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ৩৯১ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩৬১টির কেনাবেচা হয়েছে। ক্রেতার অভাবে ৩০ শেয়ারের কোনো লেনদেন হয়নি। যেসব শেয়ারের লেনদেন হয়েছে, তার মধ্যে ১১০টির দর বেড়েছে, কমেছে ৬১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৯০টির দর। তবে দর বৃদ্ধি পাওয়া ১১০ শেয়ারের ৪৮টিই ছিল বীমা খাতের। এ খাতের তালিকাভুক্ত শেয়ার আছে ৫৬টি। ১৬৭ শেয়ার থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পরও গতকাল ১৬২ শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে ছিল।
- বিষয় :
- শেয়ার বাজার
- ডিএসই
- বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন
