সরকারি ভাতা বিতরণে নগদের প্রতি আস্থা অব্যাহত
ছবি: সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬ | ১৩:৪৭ | আপডেট: ১১ জুন ২০২৬ | ১৩:৪৮
সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ভাতা এবং ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন ভাতা বিতরণে মোবাইল আর্থিক সেবা ‘নগদ’-এর প্রতি ভাতাভোগীদের আস্থা আরও দৃঢ় হয়েছে। চলতি বছরের ১ মে থেকে এখন পর্যন্ত সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১ কোটি ৫৯ লাখ ভাতাভোগীর কাছে প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা সফলভাবে বিতরণ করেছে নগদ।
এ সময় সবচেয়ে বেশি উপকারভোগী সহায়তা পেয়েছেন সামাজিক নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (এসএসএন) কর্মসূচির চতুর্থ কিস্তির আওতায়। এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ৭৮ লাখ ৫১ হাজারের বেশি উপকারভোগীর কাছে দেড় হাজার কোটি টাকার বেশি ভাতা বিতরণ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচির (পিইএসপি) আওতায় প্রায় ৬৯ লাখ শিক্ষার্থীর কাছে ৫৭৯ কোটি টাকার বেশি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১২ লাখ ভাতাভোগীর কাছে প্রায় ৯৭ কোটি টাকার সরকারি ভাতা বিতরণ করা হয়েছে।
একই সময়ে ডিডিএম-এর অধীন ইজিপিপি প্লাস/বিসিআরএসআর প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট (পিএমইএটি)-এর অর্থও নগদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এসব খাতে ২০ হাজারের বেশি উপকারভোগীর কাছে ১৩ কোটি টাকারও বেশি ভাতা বিতরণ করা হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) নগদের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা ও অর্থের পরিমাণও সর্বোচ্চ ছিল। এ সময়ে ১ কোটি ৩১ লাখের বেশি উপকারভোগী নগদ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকার সরকারি ভাতা পেয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩০০ কোটি টাকা বেশি।
এ বিষয়ে নগদের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মো. সামসুল ইসলাম বলেন, “সরকারি ভাতা, উপবৃত্তি ও বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচির অর্থ বিতরণে নগদ ধারাবাহিকভাবে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। বিপুল সংখ্যক সুবিধাভোগী নগদকে তাদের পছন্দের মাধ্যম হিসেবে বেছে নেওয়ায় আমরা কৃতজ্ঞ।”
তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, সহজলভ্যতা এবং বিস্তৃত ডিজিটাল আর্থিক নেটওয়ার্কের কারণে সরকারি অর্থ দ্রুত ও নিরাপদে উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। নগদ জানিয়েছে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সহজ ক্যাশ আউট সুবিধা ও বিনা খরচে সেবা পাওয়ার কারণে সরকারি ভাতা ও উপবৃত্তি গ্রহণে এটি অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
