রাকসু ভবন ছেড়েছে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো
রাকসু ভবন, ছবি: সমকাল
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৫ | ২১:১৬ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৫ | ২২:৫৮
কার্যক্রম না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ভবনে ঠাঁই পেয়েছিল অন্তত ১০টি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন। ভোটের পর তারা ছেড়ে দিয়েছে কার্যালয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (টিএসসিসি) না থাকায় তাদের পড়তে হয়েছে বিড়ম্বনায়। বর্তমানে আশ্রয় হয়েছে মন্নুজান হলের পাশে পুরাতন শেখ রাসেল স্কুলের ‘পরিত্যক্ত’ ভবনে।
নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য রাকসু ভবনে চলছে কক্ষ পরিষ্কার ও ধোয়ামোছার কাজ। ভবনের ভাঙাচোরা অংশগুলো মেরামতসহ দেয়ালে চলছে রঙের কাজ। লাগানো হচ্ছে নতুন বৈদ্যুতিক বাতি। নতুন সাজে প্রস্তুত হচ্ছে রাকসু ভবন।
তবে টিএসসিসি করে সংগঠনগুলোকে স্থায়ী ঠিকানা দিতে কাজ করতে চান রাকসুর নবনির্বাচিত জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বলেন, 'ভবনে দীর্ঘদিন কার্যক্রম চালানো সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে পূর্ণাঙ্গ টিএসসিসি করে স্থায়ী পুনর্বাসন করার প্রতিশ্রুতি আমাদের ছিল। আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে চাই।'
দ্রুত কাজ শুরু করতে চান নির্বাচিতরা
ভোটে নির্বাচিতরা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দ্রুত কাজ শুরু করার কথা বলেছেন। কেন্দ্রীয় সংসদের অন্তত পাঁচজন নির্বাচিত প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা নির্বাচিত হয়েছেন। এখন সেই প্রতিশ্রুতিগুলো নিয়ে কাজ শুরু করতে চান তারা।
নবনির্বাচিত ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তাদের ভোট দিয়ে আমাদের ওপর আস্থা রেখেছেন। আমরা তাদের অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। এখন আমরা শিক্ষার্থীদের আস্থা ও আমাদের ইশতেহার অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করতে চাই, ইনশাআল্লাহ।’
জিএস সালাহউদ্দীন আম্মার নির্বাচিত সব বিজয়ীর সঙ্গে আলোচনায় বসে কর্মপন্থা তৈরি করতে চান। তিনি বলেন, ‘আমরা যারা নির্বাচিত হয়েছি, তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাই। এই আলোচনায় আমরা সবার ইশতেহার বাস্তবায়নে কার্যকর পন্থা খুঁজে বের করতে এবং কাজ শুরু করতে চাই।’
- বিষয় :
- রাকসু নির্বাচন
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
