ঢাকা রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

অকৃতকার্যদের সম্পূরক পরীক্ষা এ বছর এইচএসসি, পরে এসএসসি

নীতিমালা হচ্ছে

অকৃতকার্যদের সম্পূরক পরীক্ষা এ বছর এইচএসসি, পরে এসএসসি
×
×

 সাব্বির নেওয়াজ

প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:৫৯ | আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ১০:১৯

| প্রিন্ট সংস্করণ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে সম্পূরক পরীক্ষার সুযোগ দিতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে নীতিমালা তৈরির প্রস্তুতি চলছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যে এ বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা জমা দিতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শেষে ২০২৭ সাল থেকে এ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

অবশ্য চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হতে পারে বলে মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

মন্ত্রণালয় ও বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সাধারণত পরবর্তী বছরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এতে অনেকের পড়াশোনায় ছেদ পড়ে। কেউ কেউ শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করে। দ্রুত পুনঃপরীক্ষার সুযোগ চালু হলে এসব শিক্ষার্থীর পড়াশোনা অব্যাহত রাখার সম্ভাবনা বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দ্রুত আরেকটি পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে সরকার আগ্রহী। তবে তা কার্যকর করতে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন। কর্মপরিকল্পনা পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

একাদশে ভর্তির সুযোগ, সনদ পেতে পাস করতে হবে

প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি অভিভাবকদের পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক সমকালকে বলেন, বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার আগে তারা মাধ্যমিক পরীক্ষার চূড়ান্ত সনদ ও নম্বরপত্র পাবে না। মাধ্যমিকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাস করার পরই ফলাফল ও নম্বরপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক উইংয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাধ্যমিকে ফেল করা শিক্ষার্থীরা কোন প্রক্রিয়ায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হবে, সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারলে তাদের শিক্ষাবর্ষ কীভাবে নির্ধারিত হবে এবং মাধ্যমিকের মূল পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর কত দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা নেওয়া হবে– এসব বিষয় নীতিমালায় স্পষ্ট করা থাকবে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গত সোমবার সমকালকে বলেন, সম্পূরক পরীক্ষা গ্রহণের পদ্ধতি নির্ধারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা এসেছে। এ বিষয়ে নীতিমালা প্রয়োজন। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি, পরীক্ষা গ্রহণ, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি এবং পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের সঙ্গে সমন্বয়সহ বিভিন্ন বিষয় এতে নির্ধারণ করতে হবে।

সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, মন্ত্রণালয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে বলেছে। এ নিয়ে কাজ চলছে। আগামীকাল ১৫ অক্টোবরের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা জমা দেওয়ার আশা রয়েছে। এর পর ওই পরিকল্পনার ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিতে পারে।

সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও নীতিমালা ছাড়া চলতি বছরের অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে আগামী বছর থেকে ব্যবস্থাটি চালুর পক্ষে সব শিক্ষা বোর্ড।

এ বছর ফেল করাদের সুযোগ নেই 

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, চলতি বছর থেকেই সম্পূরক পরীক্ষা চালুর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ইতোমধ্যে প্রায় দুই মাস পেরিয়ে গেছে। বাকি সময়ের মধ্যে প্রশ্নপত্র তৈরি, পরীক্ষার আয়োজন এবং ফল প্রকাশের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করা কঠিন বলে মনে করছেন পরীক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এ ছাড়া সম্পূরক পরীক্ষা কীভাবে নেওয়া হবে, কোন কোন বিষয়ে পরীক্ষার সুযোগ থাকবে এবং উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে– এসব বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তাই চলতি বছরের পরীক্ষার্থীদের জন্য নতুন ব্যবস্থা চালু করা যাচ্ছে না।

অতিরিক্ত প্রশ্নপত্র, সীমিত কেন্দ্রে সম্পূরক পরীক্ষা

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সম্পূরক পরীক্ষা দ্রুত আয়োজনের জন্য কয়েকটি পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে– মূল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরির সময় অতিরিক্ত এক সেট প্রশ্নপত্র

প্রস্তুত রাখা। ফল প্রকাশের পর যে শিক্ষার্থীরা অকৃতকার্য বিষয়ে পুনঃপরীক্ষা দিতে চাইবে, তাদের নতুন করে ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

এর পর সীমিতসংখ্যক কেন্দ্রে পরীক্ষা নিয়ে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা বিবেচনায় রয়েছে। এতে পূর্ণাঙ্গ এসএসসি পরীক্ষার মতো দীর্ঘ প্রস্তুতি ও আয়োজনের প্রয়োজন কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে এসব প্রস্তাব এখনও আলোচনাধীন; চূড়ান্ত নীতিমালায় তা নির্ধারণ করা হবে।

গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, যা ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। সব বোর্ড মিলিয়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় তাদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

পুনর্নিরীক্ষণের পর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষণের পর নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে তিন হাজার ৭৯ জন। প্রথমবার অকৃতকার্য হলেও পুনর্নিরীক্ষণের পর উত্তীর্ণ হয়েছে চার হাজার ৫৮৫ শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল দুই হাজার ২০৭।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন জানান, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। ২০২৭ সাল থেকে এ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের তালিকা তৈরি করে তাদের ক্যারিয়ার গঠনে উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ভাষা শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এসব শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তবে গতকাল মঙ্গলবার বগুড়ায় এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। 

গতকাল বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে ৪৯তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, সম্পূরক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সাধারণ ধারার শিক্ষায় রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারলে তাদের কারিগরি শিক্ষায় স্থানান্তর করা হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে বোর্ডগুলো তাদের মতামত মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে দিয়েছে। এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব। তবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ বছর তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। আগামী বছর থেকে এটি চালু করা যেতে পারে। এখন মন্ত্রণালয় পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সম্পূরক পরীক্ষার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে। কত বিষয়ে অকৃতকার্য হলে একজন শিক্ষার্থী এ সুযোগ পাবেন, পরীক্ষার ফল কীভাবে নির্ধারণ করা হবে এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে এর প্রভাব কী হবে– এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। ফলে পরীক্ষার সময়সূচি ও পদ্ধতি নির্ধারণের আগে আরও পর্যালোচনা করতে হবে।

বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে শিক্ষার্থীকে পরবর্তী বছর আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। চাইলে তিনি শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে অথবা সব বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারেন। কিন্তু এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণেও তাঁকে প্রায় এক বছর অপেক্ষা করতে হয়। 

শিক্ষাবিদ এবং শিক্ষা বোর্ডের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যানদের মতে, পরিকল্পিতভাবে সম্পূরক পরীক্ষা চালু করা গেলে এ দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে পারে। অকৃতকার্য বিষয়ে দ্রুত পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সহজ হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা আয়োজন, প্রশ্নপত্র তৈরি ও বিতরণসংক্রান্ত জটিলতাও কমতে পারে।

তবে নতুন ব্যবস্থা চালুর আগে পরীক্ষার নিয়ম, মূল্যায়ন পদ্ধতি, ফল প্রকাশ এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়গুলো স্পষ্ট করা জরুরি। শিক্ষা বোর্ডগুলোর মতামতের পর এখন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে সম্পূরক পরীক্ষা চালুর সময় ও পদ্ধতি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মো. সেলিম ভূঁইয়া সমকালকে বলেন, সম্পূরক পরীক্ষা চালু হলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে না। তবে একই বছরে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি, পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের সঙ্গে সমন্বয় এবং সনদ প্রদানের নিয়ম স্পষ্ট করে একটি যৌক্তিক নীতিমালা তৈরি করা দরকার।

বিভিন্ন দেশে সম্পূরক পরীক্ষা

বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও পাবলিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ভারতে সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের জন্য সম্পূরক পরীক্ষার ব্যবস্থা রেখেছে। 

পাকিস্তানের ফেডারেল বোর্ড অব ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশনের অধীনে প্রথম বার্ষিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা পরবর্তী বার্ষিক পরীক্ষার আগেই ‘সেকেন্ড অ্যানুয়াল এক্সামিনেশন’-এ অংশ নিতে পারে। 

যুক্তরাজ্যে জিসিএসই পরীক্ষায় ইংরেজি ও গণিতে প্রয়োজনীয় গ্রেড না পাওয়া শিক্ষার্থীদের নভেম্বর মাসে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ রয়েছে। 
অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকায় দ্বাদশ শ্রেণির জাতীয় সনদ পরীক্ষায় নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ সাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। 

দেশভেদে এসব পরীক্ষার সময়, যোগ্যতা ও নিয়মে পার্থক্য থাকলেও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার নজির রয়েছে এসব দেশে।

আরও পড়ুন

×