ঢাকা রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজার

রিসোর্টে দুঃসহ সকাল, আগুনে ১০ পর্যটকের মৃত্যু

নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ৬ জন

রিসোর্টে দুঃসহ সকাল, আগুনে ১০ পর্যটকের মৃত্যু
×
×

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতে একটি রিসোর্টে গতকাল শনিবার সকালে ভয়াবহ আগুন লাগে। পরে স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালান- সমকাল

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:৪৮ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:৫৯

| প্রিন্ট সংস্করণ

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতের খুব কাছেই বাঁশ-কাঠ ও ইট-সিমেন্ট মিলিয়ে তৈরি রিসোর্ট টুপটুপ। সকাল প্রায় ৭টা। তখনও ঘুমিয়ে ছিলেন রিসোর্টের বেশির ভাগ পর্যটক। এ সময় হঠাৎ লাগা আগুন দ্রুত গ্রাস করে তিনতলা রিসোর্টটি। আগুন-ধোঁয়ায় কারও কারও ঘুম ভেঙে যায়। তারা অন্যদের ঘুম থেকে ডেকে তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু বের হওয়ার বিকল্প পথ ছিল না।

দু-তিনজন জানালা ভেঙে বের হলেও অন্যরা পারেননি। কেউ কেউ বাথরুমে গিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেন। শেষ রক্ষা হয়নি। আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় ১০ পর্যটকের। 

গতকাল শনিবার রিসোর্টের আগুনে দুঃসহ সকালের সাক্ষী হয় আশপাশের মানুষ। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন– রাজধানীর বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩), ফায়িজান আহম্মেদ (৫) ও ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি দেওয়ান ফয়সালের স্ত্রী নাসরিন আক্তার মুক্তা। 

নাসরিন ছাড়া অন্য ছয়জন পরস্পর স্বজন। এ ছাড়া তিনটি মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা হবে। নাবিলা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। 

আলভী ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ সায়েন্সেস বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ছাড়া আগুনে আহত ছয়জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তারা হলেন– মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তাঁর স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।

সংশ্লিষ্টরা জানান, তিনতলা রিসোর্টের ফায়ার লাইসেন্স ছিল না। অগ্নি নিরাপত্তার সরঞ্জাম কিংবা পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও ছিল না।

আগুনের ঘটনায় রিসোর্টের ম্যানেজারকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আগুনের কারণ অনুসন্ধানে জেলা প্রশাসন পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। 
কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক এলাকায় অবস্থিত ‘টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁ’। সরেজমিন দেখা যায়, সাগরতীরে সড়ক ঘেঁষে গড়ে তোলা তিনতলা কাঠামোর এক পাশে ইটের পাকা দেয়াল। বাকি অংশ বাঁশ-কাঠ ও টিন দিয়ে তৈরি। 

রিসোর্টের ওপরের দুই তলায় পর্যটকদের জন্য ৯টি কক্ষ ছিল। রিসোর্টের লোকজন নিচতলায় থাকতেন। আগুনে পুরো রিসোর্ট ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।  
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, তাদের খবর দেওয়ার কিছুক্ষণ আগে, অর্থাৎ সকাল ৭টার দিকে আগুনের সূত্রপাত। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, সকাল ৭টা ২৩ মিনিটে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসে আগুনের খবর দেওয়া হয়। সকাল ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সকাল ১০টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ সময় ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে সাতজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আকতার বলেন, উদ্ধার করা তিনটি মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। মরদেহগুলো পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা হবে।

কক্সবাজার জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সবুক্তগীন মাহমুদ সোহেল জানান, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের শরীরের প্রায় ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। অপর একজন পড়ে গিয়ে আহত হন। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দগ্ধ পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন জানান, সকাল ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়ক-সংলগ্ন রিসোর্টে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে তিনটি কক্ষের পর্যটকরা রিসোর্ট ছেড়ে (চেকআউট) যান।  বাকি ছয়টি কক্ষে ১৬ জনের মতো ছিলেন। 

টুপটুপ রিসোর্টের ইনচার্জ মো. সুমন জানান, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। তিনি বলেন, ‘আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে আমরা নেভানোর চেষ্টা করি। ততক্ষণে রিসোর্টের এসি ও সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে পুরো রিসোর্টে আগুন ধরে যায়।’

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, কী কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

কর্তৃপক্ষ চাইলেই দুর্ঘটনা এড়ানো যেত 
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম জানান, পর্যটকদের ছবি তুলে তিনি জীবিকা নির্বাহ করেন। পর্যটকদের অপেক্ষায় সকালে টুপটুপ রিসোর্টের সামনে গিয়ে দাঁড়ান। এর কিছুক্ষণ পর হঠাৎ রিসোর্টে কালো ধোঁয়া বের হতে শুরু করে। তখন রিসোর্টের দারোয়ানসহ তিনকর্মী বালতি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান। এর মধ্যে রান্নাঘরে হঠাৎ সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ ঘটলে আগুন চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

আবুল কালামের দাবি, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ পর্যটকদের ঘুম থেকে ঢেকে দিলে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটত না। রিসোর্টের পেছনে লাগোয়া সুপারি বাগানের মালিক নুরুল ইসলাম বলেন, রিসোর্টের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার মেঝে কাঠের ছিল। আগুনে কাঠ পুড়ে যাওয়ায় সম্ভবত অতিথিরা আর নিচে নামতে পারেননি। বের হওয়ার জন্য সামনে কাঠের একমাত্র সিঁড়ি ছাড়া বিকল্প কোনো পথ ছিল না।  

অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া ইসরাত জাহান মালিহার স্বামী আশিকুল ইসলাম জানালা দিয়ে লাফ দিয়ে বের হতে পেরেছেন। তিনি বলেন, শুরুতে আগুন লাগার বিষয়টি কেউ টের পাননি। সবাই ঘুমের মধ্যে ছিলেন। হঠাৎ চারদিকে দাউদাউ আগুন জ্বলে ওঠে। সবাই এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করেও বের হতে পারেননি। কারণ নিচে নামার একমাত্র কাঠের সিঁড়িটিও জ্বলছিল। পেছন দিয়েও বের হওয়ার সুযোগ ছিল না। 

আশিকুল ইসলাম বলেন, ‘শেষ মুহূর্তে আমি তৃতীয় তলায় গিয়ে কোনো রকমে একটা জানালা ভেঙে লাফ দিয়ে বের হয়ে আসি। তখন কেউ কারও সঙ্গে কথা বলার অবস্থায় ছিলেন না। নিজের মতো করে বাঁচার জন্য ছোটাছুটি করছিলেন।’ 

জানালা ভেঙে লাফ দেন ইসমাইল
রিসোর্টে আগুন লাগার পর বের হওয়ার পথ পাচ্ছিলেন না ইসমাইল হোসেন। পরে চেয়ার দিয়ে একটি জানালা ভেঙে স্ত্রীকে বাইরে বের করে দেন তিনি। এরপর নিজেও জানালা দিয়ে লাফ দেন। তারা দুজনই আহত হন।

গতকাল রাত ৮টার দিকে আকাশপথে দুজনকে ঢাকায় আনা হয়। তাদের মধ্যে ইসমাইলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠানো হয়েছে। তাঁর স্ত্রী মেহেরুন নেছা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। ইসমাইল একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিপণন বিভাগের কর্মকর্তা। তাঁর স্ত্রী মেহেরুন নেছা প্রিমিয়ার ব্যাংকের কর্মকর্তা। তারা রাজধানীর দক্ষিণখানে থাকেন।

ছিল না পরিবেশ অধিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি
ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি ছাড়াই কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্ট নির্মাণ করা হয়েছিল। চট্টগ্রামের বোয়ালখালী এলাকার তানভীর নামে এক ব্যক্তি রিসোর্টটি নির্মাণ করেন। গত জুন মাসে এ বিষয়ে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন।

সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, সমুদ্রের তীব্র বাতাসে কাঠের রিসোর্টে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ ধরনের স্থাপনায় বহনযোগ্য অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র, অগ্নিসংকেত, হোস পাইপ ও অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনা থাকা দরকার। কিন্তু রিসোর্টটিতে এগুলোর কিছুই ছিল না। সাত-আট মাস আগে রিসোর্টটি তৈরি হয়েছিল। জায়গাটির মালিকানা নিয়েও দ্বন্দ্ব ছিল। টুপটুপ রিসোর্টের নিচতলায় খাবার তৈরি হতো।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা বলেন, ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রিসোর্ট নামে কোনো প্রতিষ্ঠানকে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। সম্ভবত এ নামে কোনো প্রতিষ্ঠান ছাড়পত্রের জন্য আবেদনও করেনি।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, রিসোর্টের রান্নাঘরের চুল্লি থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রিসোর্ট ম্যানেজার পুলিশ হেফাজতে
অগ্নিকাণ্ডে টুপটুপ রিসোর্টের ম্যানেজার মো. সুমনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। গতকাল বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটক ম্যানেজার সুমনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাঁকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। 

শিশুসহ মৃত ছয়জন পরস্পরের স্বজন 
স্বজনদের নিয়ে ছুটি কাটাতে কক্সবাজার গিয়েছিলেন আশিকুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ইসরাত জাহান মালিহা, স্ত্রীর ছোট বোন লায়লা জাহান নাবিলা এবং অন্য স্বজনরা। আগুনে আশিকুলের স্ত্রীসহ ছয় স্বজন মারা যান। তারা হলেন– ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭)চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং ৫ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদ। বেঁচে ফেরা আশিকুল সমকালকে কিছু বলার মতো মানসিক শক্তি খুঁজে পাচ্ছিলেন না। স্ত্রীসহ স্বজনদের মরদেহ পাওয়ার কথা বলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

বান্ধবীদের সঙ্গে ঘুরতে এসে প্রাণ গেল নাসরিনের
টুপটুপ রিসোর্টে নিহত পর্যটকদের একজন নাসরিন আক্তার মুক্তা (২৯)। তিনি ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি দেওয়ান ফয়সালের স্ত্রী। বান্ধবীদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গতকাল সকালে আগুনে প্রাণ হারান তিনি।

দেওয়ান ফয়সাল জানান, তাঁর স্ত্রী ও বান্ধবীরা ছোটবেলা থেকেই অন্তরঙ্গ। তারা একসঙ্গে পড়াশোনা করেছেন। বৃহস্পতিবার তারা কক্সবাজার বেড়াতে যান। রোববার তাদের বাড়ি ফেরার কথা ছিল। এর আগেই নাসরিনের মৃত্যুর খবর পান তিনি। মরদেহ আনতে তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। নাসরিন ঢাকার আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। তাঁর বাবার নাম মোস্তফা কামাল।

দেওয়ান ফয়সাল জানান, নাসরিনসহ তিন বান্ধবী ওই রিসোর্টে উঠেছিলেন। গতকাল সকালে নাসরিনের দুই বান্ধবী কক্ষ থেকে বাইরে বের হন। তবে নাসরিন আটকা পড়েন। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন

×