ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বায়ুদূষণ বাড়াচ্ছে হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি

বায়ুদূষণ বাড়াচ্ছে হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি
×

 ডা. নাফিসা আবেদীন

প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৬ | ০৭:৫০

| প্রিন্ট সংস্করণ

বর্তমান সময়ে বায়ুদূষণ একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব শিশু থেকে বয়স্ক–সবার শরীরেই পড়ছে। বিশেষ করে শ্বাসযন্ত্রের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব সবচেয়ে বেশি।
বায়ুদূষণের কারণে নবজাতক ও এক বছরের কম বয়সী শিশুদের শ্বাস নিতে সমস্যা হতে পারে। এমনকি, দূষণের প্রভাব গর্ভের শিশুর ওপরও পড়তে পারে এবং জন্মগত জটিলতা তৈরি হতে পারে।
১৫ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের মধ্যে যাদের আগে থেকেই ফুসফুসের রোগ বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে দূষণের কারণে নিউমোনিয়া বা অন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। আর ৬৫ বছরের বেশি বয়সী মানুষের মধ্যে সিওপিডি বা দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসযন্ত্রের রোগের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে।

হাঁপানি রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত শুকনো কাশি, শ্বাস নিতে কষ্ট এবং বুকের ভেতর শোঁ শোঁ শব্দ শোনা যায়। এই রোগ অনেক সময় বাড়ে আবার অনেক সময় কমে যায়। তাই অনেক রোগী মনে করেন তারা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে গেছেন, যা সবসময় সত্য নয়।
বায়ুদূষণ থেকে বাঁচতে হলে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। যেমন অপ্রয়োজনীয় ধোঁয়া বা ধুলাবালু এড়িয়ে চলা, বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করা এবং দূষণের মাত্রা বেশি থাকলে সকালে খুব ভোরে বা সন্ধ্যায় হাঁটতে না যাওয়া।
হাঁপানির চিকিৎসায় ইনহেলেশন থেরাপি সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড বা অ্যান্টি-অ্যালার্জিক ওষুধ ব্যবহার করা হতে পারে।
লেখক: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

আরও পড়ুন

×