শ্রীলঙ্কার ঋণের দুই কিস্তি ছাড় আইএমএফের
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। ছবি: সংগৃহীত
শিল্প ও বাণিজ্য ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬ | ১২:০৪ | আপডেট: ০১ জুন ২০২৬ | ১৩:৫৭
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী পর্ষদ শ্রীলঙ্কার জন্য এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি (ইএফএফ) কর্মসূচির আওতায় পঞ্চম ও ষষ্ঠ পর্যালোচনা শেষ করেছে। ফলে দেশটি তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় ৬৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থ পাবে, যা সরকারের অর্থনৈতিক নীতি ও সংস্কার কর্মসূচিকে সহায়তা করবে। গত শুক্রবার আইএমএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, শ্রীলঙ্কায় কর্মসূচির বাস্তবায়ন সামগ্রিকভাবে শক্তিশালী ছিল। জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যকে কস্ট-রিকভারি পর্যায়ে ফিরিয়ে আনার পূর্বশর্তগুলো পূরণ করা হয়েছে। তবে নতুন বৈদেশিক পরিশোধ বকেয়া সৃষ্টি না করা এবং আমদানি বিধিনিষেধ আরোপ বা আরও কঠোর না করার ধারাবাহিক কর্মসম্পাদন সূচক মানা হয়নি। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে নির্ধারিত সব পরিমাণগত কর্মসম্পাদন সূচক পূরণ করা হয়েছে। অধিকাংশ কাঠামোগত বেঞ্চমার্ক অর্জিত হয়েছে বা কিছু বিলম্বে বাস্তবায়িত হয়েছে।
শ্রীলঙ্কার জন্য ইএফএফ কর্মসূচি ২০২৩ সালের ২০ মার্চ আইএমএফের নির্বাহী পর্ষদ অনুমোদন করে। মোট কর্মসূচির আকার প্রায় ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার। নির্বাহী পর্ষদের বৈঠক শেষে আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কেনজি ওকামুরা বলেন, চ্যালেঞ্জপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও ইএফএফ কর্মসূচির আওতায় শ্রীলঙ্কার বাস্তবায়ন অগ্রগতি শক্তিশালী রয়েছে। অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচির সুফল দেশটির অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সহায়তা করেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করেছে এবং ঝুঁকি নিম্নমুখী করেছে।
আইএমএফ বলেছে, ২০২৬ সালে শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তেলের উচ্চ মূল্যস্ফীতি বাড়াবে এবং চলতি হিসাবের ভারসাম্য দুর্বল করবে। একই সঙ্গে পর্যটন আয় কমে যাওয়ার নেতিবাচক প্রভাবও পড়বে। যুদ্ধের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা অর্থনৈতিক ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে।
- বিষয় :
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
- আইএমএফ
- শ্রীলঙ্কা
