জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত জরুরি অবস্থা থাকবে থাইল্যান্ডে
ছবি: রয়টার্স
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২০ | ২১:৪৪
থাইল্যান্ডে লকডাউন শিথিল করে রেস্তোরাঁ ও বার পুনরায় খোলা হয়েছে এবং সীমিত সংখ্যক বিদেশিকে সে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে দেশটিতে আবারও জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। জুলাই মাসের শেষ পর্যন্ত এ অবস্থা জারি থাকবে বলে জানিয়েছেন থাই সরকারের মুখপাত্র নারুমন পিনোসিনওয়াত।
মঙ্গলবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পিনোসিনওয়াত জানান, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় তরঙ্গের ঝুঁকি এড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভা জরুরি আদেশের মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে, কারণ বৈশ্বিক মহামারি এখনও অব্যাহত রয়েছে। খবর রয়টার্সের।
পিনোসিনওয়াত বলেন, অবশ্য বুধবার থেকে আরও কিছু বিধিনিষেধ তুলে দেয়া হবে। কিন্তু ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং দ্বিতীয় তরঙ্গের ঝুঁকি হ্রাস করতে সরকারের জন্য জরুরি অবস্থা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। জরুরি অবস্থা সরকারকে একাধিক অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদান করে। এর মধ্যে রয়েছে কোন স্থানে তদন্ত করতে কর্মকর্তাদের মোতায়েন করা, কারফিউ জারি করা, সমাবেশে সীমাবদ্ধকরণ, ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি।
করোনা সংক্রমণ ছড়ানো প্রথম দেশগুলোর অন্যতম থাইল্যান্ড। তবে দেশটিতে ভাইরাসটির সংক্রমণ অনেক কম। এখন প্রায়ই আক্রান্ত ও মৃত্যুবিহীন দিন পার করছে থাইল্যান্ড। সংক্রমণ কমে আসায় থাইল্যান্ড ১ জুলাই থেকে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। সোমবার এই ঘোষণা দিয়েছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
বুধবার থেকে পাব, বার এবং কারাওকে ভেন্যুগুলো পুনরায় খুলে যাচ্ছে, দেশটির সরকারের কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ বিষয়ক বিশেষ সেন্টারের এক মুখপাত্র তেওইয়েসিন উইসানুইয়োতিন এমন ঘোষণা দেয়ার পর আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে বিমান চলাচল শুরুর এই ঘোষণা আসল। থাইল্যান্ডে চীনের পরপরই করোনার বিস্তার শুরু হলেও দেশটি তা সামাল দিতে সক্ষম হয়। তাই ছয় মাস পার হলেও সেখানে এখন করোনায় আক্রান্ত সক্রিয় রোগী মাত্র ৫৮ জন। আক্রান্তদের ৫৮ জন মারা গেছেন। মোট ৩ হাজার ১৬৯ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হলেও তাদের ৩ হাজার ৫৩ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।