দার্জিলিংয়ে ভারী বৃষ্টি-ভূমিধস, তিস্তা ব্যারেজে পানির চাপ
ভারী বৃষ্টিতে ধসে যাওয়া সেতু ও সড়ক। ছবি: এনডিটিভির সৌজন্যে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৫ | ১৩:০৪ | আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০২৫ | ১৯:৪৭
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধসে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন এলাকার সড়ক ধসে গেছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে সিকিম রাজ্যের সঙ্গে। পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তায় বাড়ছে অতিরিক্ত পানির চাপ।
রোববার এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, গতকাল শনিবার রাতে দার্জিলিংয়ে ভারী বৃষ্টি হয়। এতে ভূমিধস দেখা দেয় মিরিক ও সুখিয়ে পোখারী এলাকায়। আজ এসব এলাকায় উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন।
ভূমিধসের কারণে কয়েকটি মূল সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে আছে দার্জিলিং-শিলিগুড়ি ও দার্জিলিং-সিকিম সংযুক্তকারী সড়ক। দুর্গাপূজার ছুটিতে কলকাতা থেকে অনেক পর্যটক দার্জিলিং ভ্রমণে গেছেন। ধারণা করা হচ্ছে সড়ক ধসে যাওয়ায় তাদের অনেকেই আটকা পড়েছেন। অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে গোরখাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন টাইগার হিল ও রক গার্ডেনের মতো পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাতিল করা হয়েছে টয় ট্রেনের সূচি।
গোরখাল্যান্ড কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের ভ্রমণের আগে সড়ক ও আবহাওয়া পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছে। এক্সে দেওয়া পোস্টে দার্জিলিংয়ের সংসদ সদস্য রাজু বিস্তা লিখেছেন, ভারী বৃষ্টির কারণে প্রাণহানি, সম্পদ ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
সমকালের কলকাতা প্রতিনিধি শুভজিৎ পুততুন্ড জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টির কারণে বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে তিস্তা, মহানন্দা, তোর্সা, জলঢাকা নদীর পানি। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ভেঙে গেছে মিরিকের দুধিয়া সেতু।
পশ্চিমবঙ্গ ও ভূটানে ভারী বৃষ্টির কারণে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশেও। ব্যারেজে অতিরিক্ত পানির চাপ কমাতে শুধু তিস্তার গজলডোবা থেকে ঘণ্টায় ২ লাখ কিউসেক পানি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
- বিষয় :
- ভারী বৃষ্টি
- ভূমিধস
- তিস্তা ব্যারেজ
- বন্যার পানি
