ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

এপস্টেইন কেলেঙ্কারি

মার্কিন প্রশাসনের ব্যর্থতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন

মার্কিন প্রশাসনের ব্যর্থতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন
×

জেফরি এপস্টেইন ও বিল ক্লিনটন। ছবি: এপস্টেইন ফাইলস

সমকাল ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৫:৫৫

জেফরি এপস্টেইনের ওপর কয়েক লাখ নথি প্রকাশ হওয়ার পর তাঁর অপরাধের পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ১৯৯৬ সালে প্রথম অভিযোগ পাওয়ার পরও কেন তাঁকে থামানো যায়নি, তা নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা।

প্রকাশিত নথিতে দেখা যায়, ২০০৮ সালের বিতর্কিত ‘প্লি ডিল’ (আপস প্রস্তাব) এবং প্রায় ছয় বছর আগে ফেডারেল গ্রেপ্তারের মধ্যবর্তী সময়েও কর্তৃপক্ষ তাঁর অপরাধ সম্পর্কে জানত। ২০১১ সালে সিডনিতে মার্কিন কনস্যুলেটে এক নারী এপস্টেইন ও গিসলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিরুদ্ধে বিস্তারিত সাক্ষ্য দেন। তিনি প্রিন্স অ্যান্ড্রুসহ অন্য প্রভাবশালীদের লালসার শিকার হওয়ার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তদন্তে জানা যায়, এফবিআই ১৫ বছর আগেই প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বিষয়ে তথ্য পেয়েছিল। এ ছাড়া মার-এ-লাগো ক্লাবে কাজ করা এক তরুণীকেও এপস্টেইন পাচার করেছিলেন বলে নথিতে উল্লেখ আছে। এমনকি সাক্ষ্য না দিতে এপস্টেইন ও তার আইনজীবীরা সাক্ষীদের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন।

ভুক্তভোগীদের আইনজীবীদের মতে, ২০১১ সালের সেই সাক্ষ্য আমলে নিলে পরবর্তী অনেক অপরাধ এড়ানো সম্ভব হতো। প্রশাসনের এই স্থবিরতা ও অবহেলা নিয়ে বর্তমানে তীব্র সমালোচনা চলছে।

ক্লিনটনকে সমন উল্টো হতে পারে
জেফরি এপস্টেইন-সংশ্লিষ্ট নথির বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও হিলারি ক্লিনটনকে তলব করেছে হাউস ওভারসাইট কমিটি। রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত এই কমিটি ক্লিনটন দম্পতির ওপর সমন জারি করায় ৯০-এর দশকের রাজনৈতিক লড়াইয়ের স্মৃতি ফিরে আসছে। চলতি সপ্তাহে পৃথক দিনে তারা বন্ধ ঘরে সাক্ষ্য দেবেন। বিল ক্লিনটনের বিরুদ্ধে এপস্টেইনের বিমানে যাতায়াত ও বিতর্কিত ছবির অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে গিসলেইন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে দেখা করার কথা হিলারি স্বীকার করলেও এপস্টেইনকে চেনেন না বলে দাবি করেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, রিপাবলিকানদের এই পদক্ষেপ উল্টো ফল দিতে পারে। অতীতেও এমন আইনি লড়াই থেকে ক্লিনটন রাজনৈতিকভাবে লাভবান হয়েছেন। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

আরও পড়ুন

×