ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক আদালতের রায়

পাকিস্তানের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তি মানতে হবে ভারতকে

পাকিস্তানের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তি মানতে হবে ভারতকে
×

পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী একটি নদী। ছবি- সংগৃহীত

সমকাল ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৪:৪৫

দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনার জেরে স্থগিত করা পাকিস্তানের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তিটি ভারতকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি কাশ্মীর অঞ্চলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজও সীমিত করতে হবে। গত সোমবার এমন রায় দিয়েছেন হেগের স্থায়ী সালিশি আদালত।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। চুক্তিটি পাকিস্তানের ৮০ শতাংশ কৃষিক্ষেত্রে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করত। কিন্তু গত বছরের এপ্রিলে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের এক পর্যটন গন্তব্যে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর তিন হামলাকারীর মধ্যে দুজনকে পাকিস্তানি বলে শনাক্ত করে ভারত। তারপরই নয়াদিল্লি সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি স্থগিত করে। এর পর ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ হয়।

আন্তর্জাতিক আদালত বলেছেন, সিন্ধু পানি চুক্তি পুরোপুরি কার্যকর আছে যেহেতু, এটি বাতিল বা স্থগিত করার কোনো যৌক্তিক কারণ ভারতের ছিল না। ভারতকে অবশ্যই পশ্চিমের নদীগুলোর ওপর অবস্থিত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর নকশা, পরিচালনার বিষয়সহ চুক্তির বাধ্যবাধকতাগুলো মেনে চলতে হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে স্থায়ী সালিশি আদালতের সদস্য হলেও ভারত বলেছে, তারা এই আদালতকে স্বীকৃতি দেয়নি এবং ‘দ্ব্যর্থহীনভাবে’ এই রায় প্রত্যাখ্যান করছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, তথাকথিত সালিশি আদালতের ভারতের সার্বভৌম সিদ্ধান্তের বিষয়ে কথা বলার কোনো এখতিয়ার নেই। ভারত যে প্রকল্পগুলো গ্রহণ করেছে, সেগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত পদক্ষেপগুলোর বিষয়ে বর্তমানে ও ভবিষ্যতে এই রায়ের কোনো প্রভাব পড়বে না।

সালিশি আদালত বলেছেন, বিশ্বব্যাংকের নিয়োগ করা একজন নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ ২০২৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে বিচার করবেন হিমালায় অঞ্চলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল কিনা।

পাকিস্তানের এক দাবির সঙ্গে সহমত হয়ে আদালত বলেছেন, নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞের সিদ্ধান্তের পর ৯০ দিন না হওয়া পর্যন্ত ভারতকে রাতল জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাঁধের দেয়াল ও পাওয়ার ইনটেক স্ট্রাকচার নির্দিষ্ট স্তরের বেশি উঁচুতে নির্মাণ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুন

×