ঢাকা শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পরাজয়ের দায় নিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা লেবার পার্টির দুই নেতার

পরাজয়ের দায় নিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা লেবার পার্টির দুই নেতার
×

জেরেমি করবিন (বাঁয়ে) ও জন মার্টিন ম্যাকডোনেল- বিবিসি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৫:৫৯ | আপডেট: ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৬:০২

যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে 'শোচনীয়' পরাজয়ের পর এই ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন লেবার পার্টির শীর্ষ নেতা জেরেমি করবিন ও শ্যাডো চ্যান্সেলর জন মার্টিন ম্যাকডোনেল।

নতুন বছরই বিরোধী দল লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করবেন জানিয়ে ম্যাকডোনাল করবিন বলেছেন, আমরা পারিনি; দুঃখিত। আর ম্যাকডোনেলের বক্তব্য, এই ব্যর্থতার দায় আমাদেরই।

গত বৃহস্পতিবার দেশটির সাধারণ নির্বাচনের পর রাত ১০টার দিকে ভোট গণনা শুরু হয়। স্থানীয় সময় শুক্রবার ঘোষিত ফলাফলে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি বড় ধরনের জয় পায়।

নির্বাচনে হারার পর রোববার প্রকাশিত দুইটি পত্রিকায় নিবন্ধ লিখে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চান জেরেমি। তিনি বলেন, দেশের পরিবর্তন দেখতে যারা উন্মুখ ছিল, তাদের সবার জন্যই এই ফল বিরাট ধাক্কা।

সানডে মিররে খোলা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, আমি এই ব্যর্থতার দায় নিচ্ছি। তবে পার্টির প্রচারণার জন্য আমি গর্বিত। অবজারভারে জেরেমি লিখেছেন, দলের নির্বাচনী ইশতেহার 'ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ' হিসেবে দেখা হবে।

মার্টিন ম্যাকডোনাল বিবিসিকে তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, এই দায় আমাদের ওপরই আসে। আমরা ক্ষমা চাইছি।

বিবিসি জানায়, শুক্রবার ঘোষিত সাধারণ নির্বাচনের ফলে ঝুলন্ত পার্লামেন্টের ইঙ্গিত ভুল প্রমাণ করে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ৩৬৫ আসনে বিশাল জয় পায় কনজারভেটিভরা। সরকার গঠন করতে প্রয়োজন ছিল ৩২৬ আসন।

১৯৮৭ সালের পর কনজারভেটিভদের সবচেয়ে বড় জয়ের পর বরিস জনসন এরই মধ্যে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। শিগগির শপথ নেবে জনসনের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা।

নির্বাচনে জেরেমি করবিন নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি ২০১৭ সালের নির্বাচনের চেয়ে ৫৯ আসন কম পেয়েছে। এবার তাদের আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৩। অন্যদিকে কনজারভেটিভদের আসন বেড়েছে ৪৭টি। ব্রিটেনের হাউস অব কমন্সে মোট আসন ৬৫০টি।


আরও পড়ুন

×