অল্প উপকরণে ঘরেই ফেসওয়াশ বানাবেন যেভাবে
ঘরে বানানো ফেসওয়াশ ত্বককে সুরক্ষিত রাখে
শৈলী ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬ | ১৩:০৩
বাজার থেকে কেনা ফেসওয়াশে সালফেট, প্যারাবেন ও কৃত্রিম সুগন্ধি থাকে। এগুলো ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। সালফেট, প্যারাবেনযুক্ত ফেসওয়াশ ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা কেড়ে নেয়। বেশি ফেসওয়াশ ব্যবহার করলে মুখ শুষ্ক হয়ে যায়। ত্বকের সুরক্ষায় বাজারের কেনা ফেসওয়াশের বদলে বাসায়ই বানিয়ে নিন পছন্দের উপকরণের ফেসওয়াশ। তবে বানাতে হবে ত্বকের ধরন বুঝে।
ভারতীয় গণমাধ্যম 'আনন্দবাজার পত্রিকা'র একটি প্রতিবেদনে ঘরেই ফেসওয়াশ বানানোর উপায় সম্পর্কে বলে হয়েছে। যেমন
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য
তৈলাক্ত ত্বকে অতিরিক্ত সেবাম বা তেল ক্ষরণের কারণে ব্রণ ও র্যাকশের সমস্যা বেশি হয়। তাই এমন ত্বকের জন্য বেসন ও হলুদের ফেসওয়াশ ভালো। ২ চামচ বেসন, আধ চা-চামচ নিমপাতা গুঁড়া বা পুদিনাপাতা বাটা, সামান্য হলুদগুঁড়া এবং প্রয়োজনমতো গোলাপজল মিশিয়ে নিতে হবে। মুখে হালকা হাতে মালিশ করে ৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানির সাহায্যে ধুয়ে ফেলতে হবে। বেসন ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়, হলুদের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ ব্রণর সমস্যা দূর করে।
শুষ্ক ত্বকের জন্য
শুষ্ক ত্বক ধোয়ার পরে টানটান হয়ে যায় এবং চামড়া ওঠার সমস্যা দেখা দেয়। তাই এমন উপাদান প্রয়োজন, যা ত্বক পরিষ্কারের পাশাপাশি আর্দ্রতা ধরে রাখবে। ১ চামচ মিহি ওটসের গুঁড়া, ১ চামচ মধু এবং ১ চামচ কাঁচা দুধ মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এটি মুখে ও গলায় বৃত্তাকারে মালিশ করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। ওটস প্রাকৃতিক স্ক্রাবের মতো কাজ করবে এবং দুধ-মধু ত্বক নরম করবে।
স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য
সংবেদনশীল বা স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য এমন উপাদান প্রয়োজন যা মাখলে জ্বালা বা চুলকানি হবে না। অনেকের ত্বকেই অ্যালার্জির সমস্যা হয়। তাই সে ক্ষেত্রে কেনা ফেসওয়াশ একেবারেই ব্যবহার করা যাবে না। ২ চামচ তাজা অ্যালোভেরা জেল, ২ চামচ ঠান্ডা করা গ্রিন টি এবং ২ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন। গ্রিন টি ফুটিয়ে ঠান্ডা করে তা অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ভালো করে ফেটিয়ে নিতে হবে। এটি মুখে লাগিয়ে ৫ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন।
- বিষয় :
- রূপচর্চা