ঢাকা রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬

মতামত

চতুরঙ্গ

সমকালীন প্রসঙ্গ / প্রধানমন্ত্রীর চীন ও মালয়েশিয়া সফরে কূটনীতির নতুন বার্তা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরকে ঘিরে দেশে-বিদেশে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা কেবল একটি সফরকে কেন্দ্র করে নয়; বরং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভবিষ্যৎ অভিমুখ, অর্থনৈতিক কূটনীতির অগ্রাধিকার এবং দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতাকে কেন্দ্র করেই। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর কোনো সরকারপ্রধানের প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর সব সময়ই প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে। কারণ সেই সফর অনেক সময় আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের চেয়েও বেশি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, নতুন সরকার কোন সম্পর্ককে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান কোথায় দেখতে চায়।

আপডেটঃ ২৪ জুন ২০২৬ | ১৯:৫৬
প্রধানমন্ত্রীর চীন ও মালয়েশিয়া সফরে কূটনীতির নতুন বার্তা

নদ-নদী দূষণ / ভাসে না কাগজের নৌকা 

২০২৫ সালে লবলং নদ নিয়ে একটি সেমিনারে বলা হয়, গাজীপুরের লবলং নদের তীরবর্তী প্রায় ১৩৫টি বর্জ্য উৎপাদনকারী কারখানা রয়েছে। এসব কারখানা থেকে প্রতিদিন নিয়মিত ১ লাখ ৮০ হাজার ঘনমিটার বর্জ্য নদীতে নির্গত হয়। এছাড়া সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় সমন্বিত ডাম্পিং স্টেশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় শিল্প ও গৃহস্থালির বিপুল পরিমাণ কঠিন বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলার ফলে এক সময়ের লবলং নদটি বর্তমানে লবলং খালে পরিণত হয়েছে। সেই খালও এখন বিলুপ্ত হওয়ার পথে। রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের গবেষণা মতে, এতে ১৫টি পয়ঃনিস্কাশন লাইন এবং ১১টি ডাম্পিং স্টেশন গড়ে উঠেছে। সরকারি খালে তৈরি করা হয়েছে তিনটি কালভার্ট। যে বেআইনি। কালভার্টের কারণে জমিতে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। একটি তথ্য মতে এই জলাবদ্ধতার কারণে ৪০০ বিঘা জমিতে ধান চাষ করতে পারেননি কৃষকেরা। এছাড়া তীরগুলোও দখল হচ্ছে। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করার কারণে সংকুচিত হয়ে পড়েছে নদ। 

আপডেটঃ ২১ জুন ২০২৬ | ১৪:১৬
ভাসে না কাগজের নৌকা