ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত

চতুরঙ্গ

বিএনপির শিক্ষাদর্শন / ধারাবাহিক অভিযাত্রায় নিরক্ষরতা দূরীকরণ থেকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব 

মাধ্যমিক পর্যায়ে দুটি প্রতিশ্রুতি লক্ষণীয়। প্রথমত, মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি বাধ্যতামূলক কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা, যাতে এসএসসি বা সমমান স্তরেই একজন শিক্ষার্থী কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে পারে - এমনকি পরিবার সামর্থ্যের অভাবে উচ্চশিক্ষায় না গেলেও। দ্বিতীয়ত, আরবি, জাপানি, কোরিয়ান, ইতালিয়ান, ম্যান্ডারিনসহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষা মাধ্যমিক স্তর থেকেই বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব, যা দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের পথ প্রশস্ত করার লক্ষ্যে নেওয়া। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্তকরণ, শিক্ষকদের আর্থ-সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি এবং একটি ‘শিক্ষা সংস্কার কমিশন’ গঠনের অঙ্গীকারও এসেছে।

আপডেটঃ ২৮ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:৩৭
ধারাবাহিক অভিযাত্রায় নিরক্ষরতা দূরীকরণ থেকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব 

মানবসম্পদ / সহমর্মী শিক্ষকই মাধ্যমিক রূপান্তরের মূল চাবিকাঠি

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সম্ভবত অবকাঠামো নয়, বরং মানসিক দূরত্ব। বহু বিদ্যালয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের মধ্যে একটি অদৃশ্য দেয়াল তৈরি হয়েছে। শিক্ষক পাঠদান করেন, শিক্ষার্থী শোনে; শিক্ষক প্রশ্ন করেন, শিক্ষার্থী উত্তর দেয়, কিন্তু এর মধ্য দিয়ে হৃদয়ের কোনো সংযোগ তৈরি হয় না। অথচ শিক্ষা কেবল তথ্য স্থানান্তরের প্রক্রিয়া নয়; এটি একটি মানবিক সম্পর্কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা রূপান্তরমূলক যাত্রা। একজন শিক্ষার্থী যখন বলে, ‘স্যার, আমাকে বুঝুন’– সেই আহ্বান কেবল পাঠ বোঝার নয়, নিজেকে বোঝানোর আকুতি। এই জায়গাটিই আমাদের নতুন শিক্ষাক্রমের সাফল্য-ব্যর্থতার প্রকৃত পরীক্ষাক্ষেত্র।

আপডেটঃ ১৪ আগস্ট ২০২৬ | ২০:০১
সহমর্মী শিক্ষকই মাধ্যমিক রূপান্তরের মূল চাবিকাঠি

সমকালীন প্রসঙ্গ / মাদক নিয়ন্ত্রণে বিজিবি এবং নতুন আইনি ভিত্তি

২০২৫ সালে বিজিবি এক হাজার ৯০৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য ও মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে। তবে প্রকৃত গুরুত্ব বোঝা যায় জাতীয় পরিসংখ্যানের সঙ্গে তুলনা করলে। দেশে জব্দ হওয়া মোট কোকেনের ৯৩ দশমিক ১৫ শতাংশ, ক্রিস্টাল মেথ বা আইসের ৫০ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং ইয়াবার ৩৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ বিজিবি একাই জব্দ করেছে। অর্থাৎ সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেট-নিয়ন্ত্রিত মাদকগুলোর ক্ষেত্রেই বিজিবির জব্দের হার সবচেয়ে বেশি– এটাই বলে দেয়, সীমান্তে প্রতিরোধ যতটা কার্যকর হয়, দেশের অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক ভাঙা ততটাই কঠিন থেকে যায়। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ গাঁজা, হেরোইন, ফেনসিডিল, বিদেশি মদ ও নেশাজাতীয় ইনজেকশন উদ্ধার করেছে এবং দুই হাজার ৩৩৪ জনকে আইনের আওতায় এনেছে। এই সংখ্যাগুলো শুধু সফল অভিযানের হিসাব নয়; এগুলো দেখায়, দেশের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ার আগেই বিপুল পরিমাণ মাদক সীমান্তে আটকে যাচ্ছে।

আপডেটঃ ৩১ জুলাই ২০২৬ | ২০:০০
মাদক নিয়ন্ত্রণে বিজিবি এবং নতুন আইনি ভিত্তি