ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
আমাদের মধ্যে পেশাকে সামাজিক মর্যাদার মানদণ্ডে মূল্যায়ন করার প্রবণতা রয়েছে, যা মানসিক বৈকল্যের বহিঃপ্রকাশ। পেশা কখনও মহৎ হতে পারে না; মহৎ হন ব্যক্তি। আর সেই ব্যক্তি যে কোনো পেশায়
পৃথিবীর জনবহুল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। আয়তনের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৪তম হলেও ক্ষুদ্র আয়তনের এই দেশটিতে জনসংখ্যা প্রায় ২০ কোটি; যা বাংলাদেশকে অষ্টম
রাষ্ট্রীয় নীতিতে জেলেদের জন্য নানা প্রকল্পের কথা বলা হয়–ভিজিএফ কার্ড, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন চাল বিতরণ, বিকল্প কর্মসংস্থানের। বাস্তবে এসব সহায়তা অনেক সময় সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছায় না।
একসময় ব্যবসা শুরু করতে লাগত বড় দোকান, মোটা অঙ্কের পুঁজি আর পরিচিত মহল। এখন সেই জায়গা নিয়েছে একটি স্মার্টফোন আর ইন্টারনেট সংযোগ। সামাজিক মাধ্যম যেন ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য
রাষ্ট্র যখন উন্নয়নের গল্প শোনায় তখন হাওরাঞ্চল প্রায়ই থাকে প্রান্তে। কখনও বাঁধ ভাঙার সংবাদে, কখনও ফসলহানির হিসাবেই সীমাবদ্ধ। উন্নয়নের যে কোনো আলোচনায় শিক্ষা একটি মৌলিক শর্ত। শিক্ষা ছাড়া
শীতকাল সাধারণত বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য স্বস্তির সময় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। গ্রীষ্মের মতো অতিরিক্ত চাহিদা না থাকায় এই সময়ে লোডশেডিং কম হওয়ার কথা। অথচ বাস্তব চিত্র ভিন্ন। সাম্প্রতিক সময়ে
বাংদেশের গত এক দশকের অর্থনৈতিক গল্পের অন্যতম এক সফল উপাখ্যানের নাম ‘ফ্রিল্যান্সিং’। কোনো প্রথাগত অফিস নেই, নেই যানজট ঠেলে কর্মস্থলে যাওয়ার যন্ত্রণা; শুধু একটি ল্যাপটপ আর ইন্টারনেট
ইউনিসেফের মতে, বর্তমানে বিশ্বে ৭০ কোটি মেয়ে বাল্যবিয়ের শিকার। এ ধারা চলতে থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে এ সংখ্যা বেড়ে ৯৫ কোটিতে পৌঁছাতে পারে। সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
বর্তমান সময়ে চাকরি হলো সোনার হরিণ। যে হরিণের পেছনে ছুটছে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী। যে কোনো ধরনের চাকরি পেতে কারও প্রচেষ্টার যেন কোনো কমতি নেই। বিশেষ করে আমাদের দেশে সরকারি
যে সময়ে সরাসরি সাক্ষাৎ কঠিন, সময় সংকুচিত এবং শহরগুলোতে ভিড়ের মধ্যে একাকিত্ব ঘন হয়েছে, সেই সময়ে অনলাইন বন্ধুত্ব অনেকের কাছে এক বিকল্প হাজির করেছে। কথা বলা, হাসাহাসি, সমর্থন এবং
ফুটপাত দখল করে অন্য কাজে তা ব্যবহার করা এ দেশে নতুন কিছু নয়। বড় শহর থেকে ছোট শহর–সব জায়গায় ফুটপাত দখল হয়ে রয়েছে। ফুটপাত দিয়ে পথচারী হাঁটতে গেলে হাঁটার রাস্তা পাওয়া কঠিন