উত্তরা ইউনিভার্সিটি বিষয়ে বক্তব্য
কাওসার আহমদ
প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬ | ০৭:১০
| প্রিন্ট সংস্করণ
সমকাল পত্রিকা ও অনলাইনে গত ২৩ জানুয়ারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিন্ন চাকরি বিধিমালা জরুরি শীর্ষক প্রকাশিত লেখাতে শেখ নাহিদ নিয়াজি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। লেখাটির ষষ্ঠ প্যারায় উত্তরা ইউনিভার্সিটির নাম উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘অনেক সময় অন্যায্য আচরণের বিরুদ্ধে আপিল সরকার-সমর্থিত বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি বা সংস্থাগুলোতে যায়, যা স্বার্থের সংঘাত তৈরি করে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ রকম ঘটনা ঘটেছে। আমরা জানতে পেরেছি, ইউজিসি এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সম্প্রতি এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুজন শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে এবং তারও আগে আরেকজন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সুশাসন এবং চাকরির নিরাপত্তার অভাব শিক্ষকদের পেশাগত প্রেরণাকে নষ্ট করে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সার্বিক পরিবেশ ও মানকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।’
প্রকৃত সত্য হচ্ছে, উত্তরা ইউনিভার্সিটির কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে জুলাই-পরবর্তী সময়ে কোনো ধরনের হয়রানি করা হয়নি। বিভাগীয় শিক্ষকদের ভেতর অফিসে আসন বণ্টন-সংক্রান্ত একটি মতপার্থক্যের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলা বিভাগের একজন শিক্ষকের অভিযোগ নিয়ে ইউজিসি থেকে পর্যবেক্ষণে আসে একটি টিম। উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে আসার পর সবার সঙ্গে কথা বলে কোনো শিক্ষককে হয়রানি করার কোনো ঘটনার প্রমাণ বা অভিযোগের সত্যতা ইউজিসি পরিদর্শন টিম পায়নি।
এরপরও উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ করে এ ধরনের মন্তব্য করা আপত্তিকর ও অগ্রহণযোগ্য। লেখক না জেনেই এ ধরনের মন্তব্য কীভাবে করলেন, তা বিস্ময়কর।
কাওসার আহমদ: উপপরিচালক, জনসংযোগ বিভাগ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি
- বিষয় :
- শিক্ষা
