ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

জবি ক্যাফেটেরিয়ায় ছাত্রলীগের বাকি ৭ লাখ টাকা, দাবি মালিকের

জবি ক্যাফেটেরিয়ায় ছাত্রলীগের বাকি ৭ লাখ টাকা, দাবি মালিকের
×

ছবি: সংগৃহীত

জবি প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৪ | ১০:৩২ | আপডেট: ০৩ অক্টোবর ২০২৪ | ১১:১৯

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ক্যাফেটেরিয়ায় গত আড়াই বছরে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ৭ লাখ টাকার বাকি খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার পরিচালক মো. মাসুদ সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, শেষ আড়াই বছরে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ক্যান্টিন থেকে প্রায় ৭ লাখ টাকা বাকি খেয়েছে। সেই টাকা আর দেয়নি। এখন তাদের সবাই পলাতক। ক্যাম্পাসে আসেন না। 

ক্যাফেটেরিয়া পরিচালক জানায়, ক্যাফেটেরিয়ায় জবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজির নামে বাকি রয়েছে ১ লাখ ৮৮ হাজার টাকা এবং শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইনের নামে বাকি রয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়াও বাকির হিসেবে নাম রয়েছে ছাত্রলীগের আরও অন্তত পাঁচ নেতা-কর্মীদের নামে। শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির মাই ম্যান খ্যাত রবিউল ইসলাম রবির নামে বাকি ৫২ হাজার টাকা। এদিকে সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসানের গ্রুপ লিডার খ্যাত মিরাজের নামে বাকি রয়েছে ৭৫ হাজার টাকা, সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান বাবুর নামে বাকি ৫৫ হাজার টাকা। সাধারণ সম্পাদক প্যানেলের আরও দুই নেতা তামিম ও সাজবুলের নামে বাকি রয়েছে ১২ হাজার টাকা ও ৯ হাজার টাকা। ছাত্রলীগের এই সাত নেতা-কর্মীদের নামেই বাকি সর্বমোট ৬ লাখ ৪১ হাজার টাকা।

ক্যাফেটেরিয়া পরিচালক মো. মাসুদ বলেন, দীর্ঘদিন বাকি খেয়েছেন ছাত্রলীগের নেতারা। টাকা দেবে দেবে করে আর দেননি। এর বাইরে আরও অনেকে আছে যারা টুকটাক খেয়েছে, তার হিসাব নেই। খেয়ে তারা টাকা দিত না, আবার খাবার দিতে দেরি হলেও ক্যান্টিনের ওয়েটাদের মারধরও করেছে সাজবুলসহ বেশ কয়েকজন।

তিনি আরও বলেন, এদিকে ক্যাফেটেরিয়ার পরিচালনা বাবদ সপ্তাহে খরচ হয় ৩৯ হাজার ৭৫০ টাকা, মাসে ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। এ ছাড়া মালামাল বাবদ খরচ তো আছেই। যেখান থেকে আমি মালামাল কিনি, সেখানেও আমার ধার করে কেনা লাগে। এতো টাকা এখন কিভাবে উঠাব, আর কিভাবে আমি এই ক্ষতি পূরণ করব?

অভিযুক্ত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সবাই পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কল্যাণ পরিচালক ড. কে এ এম রিফাত হাসান সমকালকে বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত নয়। তবে বিষয়টি সত্য হলে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা রেগুলার স্টুডেন্ট হলে তাদের থেকে টাকা আদায় করার ব্যবস্থা করা হবে এবং প্রশাসনিকভাবে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

×