তোফায়েল আহমেদের স্মরণে বাংলাদেশ যুব মৈত্রী
এক নক্ষত্রের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ আমরা
তোফায়েল আহমেদ
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬ | ২০:১৮
ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বর্ষীয়ান জননেতা এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ যুব মৈত্রী।
এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি তৌহিদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক তাপস দাস তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
যুব মৈত্রী নেতৃদ্বয় তাঁদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং প্রগতিশীল রাজনীতির ইতিহাসে তোফায়েল আহমেদের নাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৯৬৮-৬৯ সালের উত্তাল গণ-অভ্যুত্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি এবং সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে তিনি ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব প্রদান করেন। তাঁর অকুতোভয় ও সাহসী ভূমিকা ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানকে বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে বিশেষ অবদান রেখেছিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার কারণে তিনি সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীকালে তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এবং বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদান রাখেন।
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক এবং গণ-অভ্যুত্থানের একজন নায়কের প্রস্থানে জাতি একজন অভিজ্ঞ, দেশপ্রেমিক ও সংগ্রামী রাজনীনিককে হারালো। তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন আগামী প্রজন্মকে দেশপ্রেম, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করবে।
বাংলাদেশ যুব মৈত্রী তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছে এবং গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করছে।
"বিদায় তোফায়েল আহমেদ। দেশ, মানুষ ও স্বাধীনতার জন্য আপনার অবদান জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে," বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
- বিষয় :
- তোফায়েল আহমেদ
- শোক
