বিশেষজ্ঞ মত
বাজার খোঁজার সঙ্গে সংস্কারও দরকার
ড. আব্দুর রাজ্জাক
ড. আব্দুর রাজ্জাক
প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:০১
| প্রিন্ট সংস্করণ
বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণ নিয়ে বহু বছর ধরে অনেক আলোচনা চলেছে, বিস্তর গবেষণা হয়েছে, অনেক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে এবং নানা সহায়তামূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের চেষ্টা চলেছে। তবুও প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সহায়তাগুলোকে একটি সমন্বিত ও বাস্তবসম্মত কৌশলের আওতায় এনে ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের ঘাটতি রয়ে গেছে।
এ সমস্যার পেছনের প্রধান অর্থনৈতিক যুক্তিগুলো বোঝার ক্ষেত্রেও যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। দেশের বাজারে বিক্রি তুলনামূলকভাবে লাভজনক হলে একজন উদ্যোক্তা কেন রপ্তানিতে যাবেন, যেখানে নতুন বাজার ও ক্রেতা খুঁজে বের করার ঝামেলা, বাড়তি খরচ এবং ব্যবসার অনিশ্চয়তা রয়েছে? অভ্যন্তরীণ বাজারে ও বিদেশের বাজারে পণ্যের মান এবং উৎপাদনের শর্তের পার্থক্য থাকলে দেশীয় উদ্যোক্তারা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত কীভাবে নেন বা বদলান, সেই বিষয়টিও যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয় না।
বাংলাদেশে রপ্তানি বহুমুখীকরণের অভাব নিয়ে নীতি বিশ্লেষণে বারবার উঠে আসা একটি প্রধান অর্থনৈতিক ব্যাখ্যা হলো বাণিজ্যনীতির রপ্তানিবিরোধী পক্ষপাত। উচ্চ আমদানি শুল্ক বিদেশি পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেশীয় উৎপাদককে দেশের বাজারে তুলনামূলক বেশি দামে পণ্য বিক্রির সুযোগ দেয়। বিদেশের বাজারে একই পণ্য বিক্রি করতে গেলে তাঁকে অন্য দেশের উৎপাদকের সঙ্গে দামে ও মানে প্রতিযোগিতা করতে হয়, যেখানে দেশের শুল্ক সুরক্ষা কোনো কাজে আসে না। ফলে উদ্যোক্তা যখন দেখেন দেশের বাজারে বিক্রিতে অপেক্ষাকৃত বেশি মুনাফা পাওয়া যাচ্ছে, তখন তাঁর বিনিয়োগও সেই বাজারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে।
এ ধরনের সুরক্ষিত বাজারে বিদেশি প্রতিযোগিতার চাপ কম থাকায় নতুন পণ্য উদ্ভাবন, পণ্যের মান উন্নয়ন কিংবা উৎপাদনে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদও সীমিত থাকে। অন্যদিকে রপ্তানিতে যেতে হলে নতুন ক্রেতা খোঁজা, তাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য তৈরি এবং বাড়তি বিনিয়োগের পাশাপাশি ব্যবসার নতুন ঝুঁকিও নিতে হয়। উদ্যোক্তা বিবেচনা করেন, সব খরচ ও ঝুঁকি হিসাব করার পর কোন বাজারে বিক্রি তাঁর জন্য বেশি লাভজনক হবে। উচ্চ শুল্ক সুরক্ষার কারণে দেশীয় বাজারে যে বাড়তি মুনাফার সুযোগ তৈরি হয়, তা অনেক ক্ষেত্রে রপ্তানির জন্য দেওয়া সহায়তার চেয়ে বেশি আকর্ষণীয় থেকে যায়। ফলে সীমিত রপ্তানি ভর্তুকি বা কিছু প্রচারমূলক কার্যক্রম দিয়ে উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের হিসাব বদলানো কঠিন হয়ে পড়ে।
বাংলাদেশে শুল্ক ও অন্যান্য আমদানি কর মিলিয়ে সুরক্ষার মাত্রা উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম উচ্চপর্যায়ে রয়েছে বলে এই কাঠামো যৌক্তিক করার বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত হচ্ছে। সর্বশেষ জাতীয় শুল্কনীতিতে সেই দিকনির্দেশনা এসেছে এবং সরকারি সংস্কার পরিকল্পনাতেও রপ্তানিবিরোধী পক্ষপাত কমানোর প্রয়োজন স্বীকার করা হয়েছে। তবু বাস্তবায়নে বড় কাজ বাকি থেকে যাওয়ার কারণ বুঝতে হলে দেখতে হবে, দীর্ঘদিনের সুরক্ষার ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠা ব্যবসাগুলো এই পরিবর্তনকে কীভাবে দেখছে। শুল্ক কাঠামো বদলালে তাদের বিদ্যমান লাভ ও সুবিধায় প্রভাব পড়তে পারে বলে সংস্কার নিয়ে আপত্তি আসে। সেই উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে পরিবর্তন এগিয়ে নেওয়া কঠিন কাজ। আর রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য এই কাজটি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ সীমিত।
এখানে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসে, রপ্তানিবিরোধী পক্ষপাত এত বড় বাধা হলে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে সফল হলো কীভাবে? রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ হয়েছিল পুরোপুরি বিদেশি ক্রয়াদেশের ভিত্তিতে। শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধায় উৎপাদিত পণ্য দেশের বাজারে বিক্রির ওপরও বিধিনিষেধ ছিল। এই শিল্প যেসব পণ্য নিয়ে গড়ে উঠেছিল, সেগুলোর দেশীয় বাজার তখন খুবই ছোট ছিল এবং এখনও রপ্তানি করা বহু ধরনের তৈরি পোশাক বাংলাদেশের মানুষের নিয়মিত ব্যবহারের পোশাক নয়। ফলে অন্য খাতের মতো গার্মেন্টস উদ্যোক্তাদের সামনে একই পণ্য দেশের সুরক্ষিত বাজারে বিক্রি করে বেশি মুনাফা অর্জনের আকর্ষণীয় বিকল্প ছিল না। বড় পরিসরে ব্যবসা গড়ে তোলার সুযোগটি ছিল বিদেশের বাজারেই।
এই সুযোগ কাজে লাগাতে সরকার বন্ডেড ওয়্যারহাউসসহ বিভিন্ন সুবিধা ও প্রণোদনা দিয়েছে। বন্ড সুবিধার মাধ্যমে রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা সম্ভব হয়েছে। মাল্টি-ফাইবার অ্যারেঞ্জমেন্টের আওতায় অনেক প্রতিষ্ঠিত রপ্তানিকারক দেশের ওপর কোটা বিধিনিষেধ থাকায় বিদেশি ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের মতো নতুন উৎপাদনকেন্দ্রের দিকে এগিয়ে আসেন, যা গার্মেন্টস রপ্তানিতে প্রবেশ সহজ করে দেয়। পরবর্তী সময়ে এলডিসি হিসেবে শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা এই খাতের সম্প্রসারণে সহায়তা করেছে।
অন্য খাতে এমন সুযোগের সমন্বয় ঘটেনি। সেখানে দেশের বাজারে যথেষ্ট চাহিদা ও শুল্ক সুরক্ষার কারণে উদ্যোক্তাদের দেশীয় বাজারে থাকার আকর্ষণ প্রবল। আবার বিদেশি ক্রয়াদেশ পেতে দাম, মান ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহের ভিত্তিতে প্রতিযোগিতা করতে হয়। মাল্টি-ফাইবার অ্যারেঞ্জমেন্টের মতো কোনো ব্যবস্থাও ছিল না, যা বিদেশি ক্রেতাদের এসব পণ্য কিনতে বাংলাদেশের দিকে নিয়ে আসবে।
শুল্ক সুরক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি বাজারে পণ্যের মান ও উৎপাদনের শর্তের ব্যবধান যে রপ্তানিবিরোধী পক্ষপাতকে আরও বাড়ায়, সেই বিষয়টি বাংলাদেশের রপ্তানিনীতি নিয়ে আলোচনায় যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি। বিদেশি বাজারে বিক্রি করতে হলে পণ্যের নিরাপত্তা, মানের ধারাবাহিকতা এবং শ্রম ও পরিবেশসংক্রান্ত শর্ত পূরণের বাধ্যবাধকতা থাকে। এতে বাড়তি খরচ হতে পারে। এসব বিষয়ে শিথিলতা থাকলে বিদেশি ক্রেতার শর্ত পূরণ করে রপ্তানি করার সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। অথচ দেশের বাজারে প্রযোজ্য মানদণ্ডের প্রয়োগ দুর্বল হলে একই শর্ত পূরণের চাপ থাকে না এবং সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের অনেকটা এড়িয়ে পণ্য বিক্রি করা যায়। ফলে দেশীয় উদ্যোক্তারা দেশের বাজারে ব্যবসা করতে অধিকতর আগ্রহী হন।
তৈরি পোশাকের বাইরে আন্তর্জাতিক বাজারের শর্ত পূরণ করে নিয়মিত ও বড় পরিসরে সরবরাহ করা যায়, এমন পণ্যের পরিসর বাংলাদেশে এখনও খুবই সীমিত। সাভারের চামড়াশিল্প এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ। চামড়ার মান ভালো হলেও উৎপাদনের সময় বর্জ্য কীভাবে শোধন করা হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক ক্রেতার কাছে গুরুত্ব পায়। কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের সমস্যার কারণে তার সঙ্গে যুক্ত কারখানাগুলোর লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের মানসনদ অর্জনের পথে বাধা রয়েছে। ফলে সেই চামড়া দিয়ে ভালো পণ্য তৈরি করলেও বহু বড় ব্র্যান্ডের সরবরাহব্যবস্থায় প্রবেশ কঠিন হয়ে পড়ে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার সমাধান তাই এই খাতের রপ্তানি সক্ষমতা গড়ে তোলার একটি প্রয়োজনীয় অংশ।
বাংলাদেশে এখনও অনেকের ধারণা, রপ্তানিতে প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা মূলত কত কম খরচে পণ্য তৈরি করা যায় তার ওপর নির্ভর করে। উৎপাদন খরচ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে বিদেশি ক্রেতা একই সঙ্গে দেখেন পণ্যটি কীভাবে তৈরি হয়েছে, তার মান কেমন এবং প্রয়োজনীয় নিয়ম ও শর্ত মানা হয়েছে কিনা। এমনকি পণ্যের মোড়ক ও লেবেলে প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে, স্পষ্ট করে এবং যাচাইযোগ্য ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে কিনা, তাও বাজারে প্রবেশের শর্ত হতে পারে। রপ্তানির প্রস্তুতি বলতে এই পুরো ব্যবস্থাকে বুঝতে হবে।
দেশের বাজারে উৎপাদনের পরিবেশ, মান নিয়ন্ত্রণ, পণ্যের গুণগত মান এবং সর্বোপরি ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় আমরা এতটাই ছাড় দিয়ে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি যে, তৈরি পোশাকের বাইরে রপ্তানিতে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জন করতে হলে এই শিথিল ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। দেশীয় উৎপাদনব্যবস্থা, মান নিয়ন্ত্রণ ও তদারকিকে বিশ্ববাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তুলতে না পারলে বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যের মাধ্যমে রপ্তানি বহুমুখীকরণ অর্জনের আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থেকে যেতে পারে।
আরেকটি বিষয় হলো আন্তর্জাতিক ব্যবসার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা, যাকে বৈশ্বিক মূল্যশৃঙ্খলে অংশগ্রহণ বলা হয়। একটি পণ্য ক্রেতার হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত উৎপাদনের বাইরেও বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ থাকে। বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান ভালো জুতা বা বস্ত্রজাত পণ্য তৈরি করতে পারে, কিন্তু বিদেশে তা বিক্রি করতে হলে সেখানকার ক্রেতার পছন্দ অনুযায়ী নকশা ও পণ্য সরবরাহের পাশাপাশি বিপণন, গুদাম এবং খুচরা বিক্রয় ব্যবস্থা প্রয়োজন। দেশীয় উৎপাদকের পক্ষে এসব গড়ে তোলা ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিষ্ঠিত বিদেশি ব্র্যান্ড বা পরিবেশকের সঙ্গে যুক্ত হতে পারলে তাদের ব্যবস্থার মাধ্যমে পণ্য ক্রেতার কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়। এই বড় মাত্রার ঘাটতির বিপরীতে রপ্তানিমুখী বিদেশি বিনিয়োগ অন্যতম প্রধান সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে। বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা যৌথ উদ্যোগ প্রযুক্তি ও মান নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠিত ক্রেতা এবং বিতরণব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগও আনতে পারে। বাণিজ্যনীতি কিংবা পণ্যের মান ও কমপ্লায়েন্সের ব্যবধান থেকে তৈরি হওয়া রপ্তানিবিরোধী পক্ষপাত যদি আমরা দূর করতে না পারি, তাহলে তৈরি পোশাকের বাইরে রপ্তানি প্রসারের জন্য সরাসরি বিশ্ববাজারে সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত বিশেষায়িত বিদেশি বিনিয়োগ প্রধান ভরসা হয়ে দাঁড়াবে। এসব বিনিয়োগে গড়ে ওঠা কারখানার ব্যবসার ভিত্তি হবে রপ্তানি, আর তাদের উৎপাদনব্যবস্থা শুরু থেকে বিদেশি ক্রেতার মান ও শর্ত অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
কিন্তু বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখাতে পারেনি। বিনিয়োগকারীরা এখানে উৎপাদন করে সময়মতো বিদেশে পণ্য রপ্তানি করতে পারবেন কিনা, সেই হিসাব করতে গিয়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অনিশ্চয়তা, অবকাঠামোর দুর্বলতা এবং পরিবহন ও বন্দরব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নেন। এর সঙ্গে রয়েছে প্রশাসনিক জটিলতা ও দুর্নীতির কারণে ব্যবসার খরচ ও অনিশ্চয়তা বেড়ে যাওয়া। আবার যেসব সুবিধার কথা বলে তাদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয়, বাস্তবে সেগুলো পেতে সমস্যা হলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থাও ক্ষুণ্ন হয়। ফলে বিদেশি বিনিয়োগকে রপ্তানি বহুমুখীকরণের প্রধান সহায়ক হিসেবে কাজে লাগাতে হলে এসব বাধা দূর করার ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান অগ্রগতি প্রয়োজন।
কঠিন সংস্কারের প্রশ্নগুলো এখানে আসে। আমরা কি শুল্কহার যৌক্তিক করার মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের রপ্তানি খাতে অধিকতর বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে পারব? আমরা কি এমন উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারব, যাতে দেশের বাজারের জন্য তৈরি অনেক পণ্য মান ও উৎপাদনের শর্ত পূরণ করে রপ্তানির বাজারেও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে পারে? বিদেশি বিনিয়োগকারীদের যেসব সুবিধার কথা বলে আমন্ত্রণ জানাই, সেগুলো বাস্তবে নিশ্চিত করে তাদের আস্থা অর্জন করতে পারব কি? এসব পরিবর্তন আনতে গিয়ে প্রতিষ্ঠিত স্বার্থের আপত্তি এলে তা মোকাবিলা করে সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার সদিচ্ছা ও সক্ষমতা কি আমাদের থাকবে? রপ্তানি বহুমুখীকরণের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করবে এসব বিষয়ে আমরা বাস্তবে কতটা পরিবর্তন আনতে পারি, তার ওপর।
লেখক : গবেষণা প্রতিষ্ঠান র্যাপিডের চেয়ারম্যান
- বিষয় :
- বিশেষজ্ঞ মত