কোল্লাপাথর
মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থল
×
এলিজা বিনতে এলাহী
প্রকাশ: ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১২:০০
বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক অঞ্চল ভ্রমণের সময় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল। সেগুলোর মধ্যে একটি এখনও হৃদয়ে জ্বলজ্বল করছে। বলছি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কোল্লাপাথর শহীদ সমাধিস্থলের কথা। ৪৯ জন মুক্তিযোদ্ধা এখানে শায়িত। এটি কসবা উপজেলার দক্ষিণে ১০ কিলোমিটার দূরে ভারতীয় সীমান্তের পাশে বায়েক ইউনিয়নের কোল্লাপাথর গ্রামে অবস্থিত।
প্রথম যখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভ্রমণ প্ল্যান করছিলাম, সে সময় কোল্লাপাথর আমার ভ্রমণ লিস্টে ছিল না। জেলা প্রশাসন প্রকাশিত দর্শনীয় স্থানের তালিকার একটি বই থেকে কোল্লাপাথরের কথা জানতে পারি। কিন্তু সেদিন দুপুরেই কুমিল্লার পথে রওনা হওয়ার কথা। ঠিক করলাম, কোল্লাপাথর না দেখে যাব না। সমাধিস্থলের জায়গায় গিয়ে দেখলাম পুরো চত্বরে রয়েছে একটি মসজিদ, রেস্ট হাউস। ভূমি থেকে খানিকটা উঁচুতে, অর্থাৎ ১০-১২টি সিঁড়ি পেরিয়ে মূল সমাধিস্থলে যেতে হয়। মূল জায়গায় দাঁড়িয়ে দেখতে পেলাম নিচে একটি মনোহারী দোকান। সমাধির লিস্ট পড়ছি আর ভিডিও ধারণের কাজ করছি। সে সময় একজন এসে বললেন, আপনাদের কাজ শেষ হলে নিচের দোকানে দেখা করে যাবেন। আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম। যথারীতি কাজ শেষ করে দোকানে গেলাম। সেখানে গিয়ে দেখলাম ৬০-৬২ বছর বয়সী একজন পরিচয় আর এখানে আসার উদ্দেশ্য জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি নিজে থেকেই বললেন, 'আপনি কি কোল্লাপাথরের পটভূমি জানতে চান?' প্রায় চার ঘণ্টা চলল তার সঙ্গে আলাপচারিতা। তিনি বলেছেন, আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনেছি।
পারিবারিক কবরস্থান যেভাবে হয়ে উঠল মুক্তিযুদ্ধের সমাধিস্থল
কথা হচ্ছিল মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিমের সঙ্গে। তাদের পারিবারিক কবরস্থানেই শুরু হয় প্রথম সেই অঞ্চলের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন করার কাজটি। তার পিতা আব্দুল মান্নান সেই দুরূহ কাজ সম্পন্ন করতেন। একে একে সেই সংখ্যা এসে দাঁড়ায় ৪৯-এ।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ তাকে উদ্বুদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য। পরে অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক, যিনি ছিলেন তৎকালীন কসবা-বুড়িচঙের এমএনএ (মেম্বার অব ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি); তার মাধ্যমে শুরু হয় আব্দুল করিমের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সূচনা। সিরাজুল হক একটি কমিটি গঠন করেন। কমিটির নাম দেন আওয়ামী লীগ মুক্তি সংগ্রাম সহায়ক কমিটি। এ কমিটির কাজ ছিল পাকিস্তানি আর্মির দ্বারা নির্যাতিত হয়ে যারা দেশত্যাগ করে ভারতে যাচ্ছেন তাদের একটি তালিকা করা। এভাবে তিন-চার মাস কাজ করার পর বিএসএফের ইন্সপেক্টর দেশরাজ রায় ফোনে বলেন, 'এখনই পাকিস্তান আর্মি আসবে। ক্যান্টনমেন্ট থেকে ফোন পেয়েছি।' তখন পূর্ব বাংলার ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট কসবা রেলস্টেশনের পূর্ব-উত্তর পাশে দেবীপুর নামক স্থানে অবস্থান করছিল। বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৭ নং প্লাটুনের সুবেদার আব্দুল ওয়াহাব। চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যরা রেলস্টেশনের কাছে একটি পুকুরে অবস্থান নেন। পাকিস্তানি সেনারা রেঞ্জের মধ্যে এলে সুবেদার ওয়াহাব গুলি চালান। সে সময় দুই-তিনজন পাকিস্তানি সেনা মারা যায় এবং ট্রলিতে আগুন ধরে যায়। বাকিরা ট্রলি থেকে নিচে পড়ে যায়। পাকিস্তানি সেনারা ছিল বায়েক গ্রামে। বাকি সেনারা বায়েক গ্রামে প্রবেশ করে তিনটি পরিবার থেকে ৪৬ জনকে হত্যা করে। এই অপারেশনের পরই আব্দুল করিম চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
১৯৭১ সালের জুন মাসের ৬ তারিখ কসবাতে আর্টিলারি শেল পড়ে প্রথম শহীদ হন হাবিলদার তৈয়ব আলী। আব্দুল করিম সেখানে কর্মরত সবাইকে নিয়ে তাদের পারিবারিক কবরস্থানটি দেখতে গেলেন। সবাই একবাক্যে স্থানটি পছন্দ করলেন। কসবায় প্রথম শহীদ মুক্তিযোদ্ধার শবদেহ আব্দুল করিম তার বাবা আব্দুল মান্নানকে বুঝিয়ে দিলেন। আব্দুল করিমের বাবা-মা ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক দাফনের কাজ সম্পন্ন করেন। রচিত হলো কোল্লাপাথর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সমাধিস্থলের ইতিহাস।
যারা শায়িত আছেন
প্রথম শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কোল্লাপাথরের ভূমিতে শায়িত হলেন হাবিলদার তৈয়ব আলী। ৬ জুন, ১৯৭১। ঠিক তার পরদিন ৭ জুন শহীদ হন নায়েক সাত্তার আলকাস। মৃত্যুর মিছিল বাড়তে থাকে। ৮ জুন সেই মিছিলে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাকির হোসেন। একটি ব্রিজ ধ্বংস করতে গিয়ে শহীদ হন তিনি। ৪৯ জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে একজন মুক্তিযোদ্ধার নাম নিয়ে বিতর্ক আছে। দু'জনের নাম জানা যায়নি। রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা আছেন এই সমাধিস্থলে। ৬৮ জন বীরউত্তমের মধ্যে তিনজন, ১৭৫ জন বীরবিক্রমের মধ্যে একজন সুবেদার সালাম, ৪৭৫ জন বীরপ্রতীকের একজন আনসার সদস্যের সমাধি রয়েছে।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধি চিহ্নিতকরণ
কোল্লাপাথরের ভূমিতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছিল সুনিপুণভাবে। তিনজনের একটি কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক, চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সিও ও সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ। কমিটিতে সিদ্ধান্ত হয়- টিনের প্লেটে নাম, নম্বর, র্যাঙ্ক, শহীদ হওয়ার তারিখ লিখে যার যার সমাধির পাশে রাখা হবে।
স্বাধীনতাউত্তর পদক্ষেপ
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবারের সদস্যরা দেখতে আসতেন প্রিয় মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধি। আবদুল করিমের বাবা-মা ও তিনি নিজে সব পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন।
১৯৭২ সালের ২৯ মে আব্দুল করিমের বাবা আব্দুল মান্নান ৬৫ শতাংশ জমি সরকারকে নিঃশর্তভাবে দান করেন কোল্লাপাথরের এই ভূমিকে ইতিহাসে স্থান করে দেওয়ার জন্য। জমি দেওয়ার সময় তিনি দাবি করেন- সমাধিস্থল নির্মাণের পাশাপাশি এখানে একটি মসজিদ আর রেস্ট হাউস নির্মাণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পটি অনুমোদন দেন এবং কোল্লাপাথর শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থলের কাজ দ্রুত শুরু হয় ২০ লাখ টাকা দিয়ে। হ
লেখক
পর্যটক ও শিক্ষক
প্রথম যখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভ্রমণ প্ল্যান করছিলাম, সে সময় কোল্লাপাথর আমার ভ্রমণ লিস্টে ছিল না। জেলা প্রশাসন প্রকাশিত দর্শনীয় স্থানের তালিকার একটি বই থেকে কোল্লাপাথরের কথা জানতে পারি। কিন্তু সেদিন দুপুরেই কুমিল্লার পথে রওনা হওয়ার কথা। ঠিক করলাম, কোল্লাপাথর না দেখে যাব না। সমাধিস্থলের জায়গায় গিয়ে দেখলাম পুরো চত্বরে রয়েছে একটি মসজিদ, রেস্ট হাউস। ভূমি থেকে খানিকটা উঁচুতে, অর্থাৎ ১০-১২টি সিঁড়ি পেরিয়ে মূল সমাধিস্থলে যেতে হয়। মূল জায়গায় দাঁড়িয়ে দেখতে পেলাম নিচে একটি মনোহারী দোকান। সমাধির লিস্ট পড়ছি আর ভিডিও ধারণের কাজ করছি। সে সময় একজন এসে বললেন, আপনাদের কাজ শেষ হলে নিচের দোকানে দেখা করে যাবেন। আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম। যথারীতি কাজ শেষ করে দোকানে গেলাম। সেখানে গিয়ে দেখলাম ৬০-৬২ বছর বয়সী একজন পরিচয় আর এখানে আসার উদ্দেশ্য জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি নিজে থেকেই বললেন, 'আপনি কি কোল্লাপাথরের পটভূমি জানতে চান?' প্রায় চার ঘণ্টা চলল তার সঙ্গে আলাপচারিতা। তিনি বলেছেন, আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনেছি।
পারিবারিক কবরস্থান যেভাবে হয়ে উঠল মুক্তিযুদ্ধের সমাধিস্থল
কথা হচ্ছিল মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিমের সঙ্গে। তাদের পারিবারিক কবরস্থানেই শুরু হয় প্রথম সেই অঞ্চলের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন করার কাজটি। তার পিতা আব্দুল মান্নান সেই দুরূহ কাজ সম্পন্ন করতেন। একে একে সেই সংখ্যা এসে দাঁড়ায় ৪৯-এ।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ তাকে উদ্বুদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য। পরে অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক, যিনি ছিলেন তৎকালীন কসবা-বুড়িচঙের এমএনএ (মেম্বার অব ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি); তার মাধ্যমে শুরু হয় আব্দুল করিমের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সূচনা। সিরাজুল হক একটি কমিটি গঠন করেন। কমিটির নাম দেন আওয়ামী লীগ মুক্তি সংগ্রাম সহায়ক কমিটি। এ কমিটির কাজ ছিল পাকিস্তানি আর্মির দ্বারা নির্যাতিত হয়ে যারা দেশত্যাগ করে ভারতে যাচ্ছেন তাদের একটি তালিকা করা। এভাবে তিন-চার মাস কাজ করার পর বিএসএফের ইন্সপেক্টর দেশরাজ রায় ফোনে বলেন, 'এখনই পাকিস্তান আর্মি আসবে। ক্যান্টনমেন্ট থেকে ফোন পেয়েছি।' তখন পূর্ব বাংলার ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট কসবা রেলস্টেশনের পূর্ব-উত্তর পাশে দেবীপুর নামক স্থানে অবস্থান করছিল। বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৭ নং প্লাটুনের সুবেদার আব্দুল ওয়াহাব। চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যরা রেলস্টেশনের কাছে একটি পুকুরে অবস্থান নেন। পাকিস্তানি সেনারা রেঞ্জের মধ্যে এলে সুবেদার ওয়াহাব গুলি চালান। সে সময় দুই-তিনজন পাকিস্তানি সেনা মারা যায় এবং ট্রলিতে আগুন ধরে যায়। বাকিরা ট্রলি থেকে নিচে পড়ে যায়। পাকিস্তানি সেনারা ছিল বায়েক গ্রামে। বাকি সেনারা বায়েক গ্রামে প্রবেশ করে তিনটি পরিবার থেকে ৪৬ জনকে হত্যা করে। এই অপারেশনের পরই আব্দুল করিম চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
১৯৭১ সালের জুন মাসের ৬ তারিখ কসবাতে আর্টিলারি শেল পড়ে প্রথম শহীদ হন হাবিলদার তৈয়ব আলী। আব্দুল করিম সেখানে কর্মরত সবাইকে নিয়ে তাদের পারিবারিক কবরস্থানটি দেখতে গেলেন। সবাই একবাক্যে স্থানটি পছন্দ করলেন। কসবায় প্রথম শহীদ মুক্তিযোদ্ধার শবদেহ আব্দুল করিম তার বাবা আব্দুল মান্নানকে বুঝিয়ে দিলেন। আব্দুল করিমের বাবা-মা ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক দাফনের কাজ সম্পন্ন করেন। রচিত হলো কোল্লাপাথর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সমাধিস্থলের ইতিহাস।
যারা শায়িত আছেন
প্রথম শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কোল্লাপাথরের ভূমিতে শায়িত হলেন হাবিলদার তৈয়ব আলী। ৬ জুন, ১৯৭১। ঠিক তার পরদিন ৭ জুন শহীদ হন নায়েক সাত্তার আলকাস। মৃত্যুর মিছিল বাড়তে থাকে। ৮ জুন সেই মিছিলে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাকির হোসেন। একটি ব্রিজ ধ্বংস করতে গিয়ে শহীদ হন তিনি। ৪৯ জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে একজন মুক্তিযোদ্ধার নাম নিয়ে বিতর্ক আছে। দু'জনের নাম জানা যায়নি। রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা আছেন এই সমাধিস্থলে। ৬৮ জন বীরউত্তমের মধ্যে তিনজন, ১৭৫ জন বীরবিক্রমের মধ্যে একজন সুবেদার সালাম, ৪৭৫ জন বীরপ্রতীকের একজন আনসার সদস্যের সমাধি রয়েছে।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধি চিহ্নিতকরণ
কোল্লাপাথরের ভূমিতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছিল সুনিপুণভাবে। তিনজনের একটি কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক, চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সিও ও সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ। কমিটিতে সিদ্ধান্ত হয়- টিনের প্লেটে নাম, নম্বর, র্যাঙ্ক, শহীদ হওয়ার তারিখ লিখে যার যার সমাধির পাশে রাখা হবে।
স্বাধীনতাউত্তর পদক্ষেপ
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবারের সদস্যরা দেখতে আসতেন প্রিয় মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধি। আবদুল করিমের বাবা-মা ও তিনি নিজে সব পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন।
১৯৭২ সালের ২৯ মে আব্দুল করিমের বাবা আব্দুল মান্নান ৬৫ শতাংশ জমি সরকারকে নিঃশর্তভাবে দান করেন কোল্লাপাথরের এই ভূমিকে ইতিহাসে স্থান করে দেওয়ার জন্য। জমি দেওয়ার সময় তিনি দাবি করেন- সমাধিস্থল নির্মাণের পাশাপাশি এখানে একটি মসজিদ আর রেস্ট হাউস নির্মাণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পটি অনুমোদন দেন এবং কোল্লাপাথর শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থলের কাজ দ্রুত শুরু হয় ২০ লাখ টাকা দিয়ে। হ
লেখক
পর্যটক ও শিক্ষক
- বিষয় :
- মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থল
