ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

‘হৃদয়ভাঙা অভিজ্ঞতা থেকে ফেরা সহজ ছিল না’, সাইফের আক্ষেপ

‘হৃদয়ভাঙা অভিজ্ঞতা থেকে ফেরা সহজ ছিল না’, সাইফের আক্ষেপ
×

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:১০

নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ভারতে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ। সরকারের এই সিদ্ধান্তের কারণে সবচেয়ে বড় মানসিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন খোদ ক্রিকেটাররাই। বিশ্বকাপ খেলতে না পেরে দলের ক্রিকেটাররা চরম মানসিক ধাক্কায় পড়েছিলেন। এমনটাই জানিয়েছেন জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও অলরাউন্ডার সাইফ হাসান।

সালাউদ্দিন নির্দিষ্ট কারও নাম প্রকাশ না করলেও জানিয়েছেন, অন্তত দুজন ক্রিকেটার আক্ষরিক অর্থেই ট্রমায় চলে গিয়েছিলেন। তাদের মাঠে ফেরানোই ছিল এই কোচের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে বিশ্বকাপ চলাকালীন দেশে আয়োজিত ‘অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপে’ এই ক্রিকেটারদের খেলানোটা ছিল ভীষণ কঠিন।

গণমাধ্যমের সামনে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে সালাউদ্দিন বলেন, ‘একটা মানুষের স্বপ্ন শেষ করে দিয়েছেন। আমি তো জানি আমার দুইটা প্লেয়ার কোমায় চলে গিয়েছিল। চার-পাঁচ দিন ধরে কই যেন হারিয়ে গিয়েছিল। তাদের যে আমরা টুর্নামেন্টে মাঠে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি, ওটাই বেশি। আমার মনে হয়, এটাই আমার কোচিং জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য।’

সালাউদ্দিনের এমন মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন জাতীয় দলের সাইফ হাসান। এই অলরাউন্ডারের কাছে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, ত্যাগ ও অপেক্ষার ফসল ছিল এবারের বিশ্বকাপ। কিন্তু একটি সিদ্ধান্তের কারণে তার ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন চুরমার হয়ে যায়।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে হতাশা ও বিশ্বাসের কথা জানিয়ে সাইফ লেখেন, ‘সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ মেহেরবান। আলহামদুলিল্লাহ। বিশ্বকাপে খেলতে না পারার হৃদয়ভাঙা অভিজ্ঞতা থেকে ফিরে আসা মোটেও সহজ ছিল না। এটি ছিল আমার প্রথম বিশ্বকাপ, জীবনের এক স্বপ্ন। সেই স্বপ্নের পেছনে ছিল অনেক পরিশ্রম, ত্যাগ আর অপেক্ষা।’

স্রষ্টার ওপর ভরসা রেখে এই কঠিন সময় পার করার কথা জানিয়ে সাইফ আরও যোগ করেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহ সবার জন্য আরও উত্তম কিছু পরিকল্পনা করে রেখেছেন। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাকারী। সেই জায়গা থেকে নিজেকে সামলে এগিয়ে যাওয়া আমার জন্য সহজ ছিল না। কঠিন সেই সময়ে যারা মানসিকভাবে আমাকে সমর্থন দিয়েছেন, সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’

আরও পড়ুন

×