স্পেনকে রুখে দিয়ে এক রাতেই ৪৯ লাখ ফলোয়ার ভোজিনহার
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬ | ০৮:৫৮ | আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬ | ০৯:৪৫
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই বিশ্বফুটবলকে স্তব্ধ করে দিয়েছে আফ্রিকার পুঁচকে দেশ কেপ ভার্দে। ইউরোপীয় পরাশক্তি স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দিয়ে টুর্নামেন্টের অন্যতম বড় অঘটনের জন্ম দিয়েছে দলটি। আর সেই গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ছিলেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা।
ম্যাচজুড়ে স্পেন একের পর এক আক্রমণ চালিয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই তাদের সামনে প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছেন কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। কখনও মিকেল ওইয়ারসাবাল, কখনও ফেরান তোরেস, আবার কখনও আইমেরিক লাপোর্তে। তাদের সবাইকে হতাশ করেছেন তিনি। তবে স্পেনের বিপক্ষে তার পারফরম্যান্স ছিল সব কিছুর ওপরে। ম্যাচে সাতটি সেভ করে ম্যান অব দ্য ম্যাচও হয়েছেন তিনি।
ম্যাচে ধারাভাষ্য দিচ্ছিলেন ব্রাজিলের জনপ্রিয় স্পোর্টস স্ট্রিমার ক্যাসিমিরো মিগেল। কেপ ভার্দের এই গোলকিপারের বীরত্ব দেখে মুগ্ধ হয়ে ক্যাসিমিরো তার লাইভ স্ট্রিমিংয়ে দর্শকদের অনুরোধ করেন ভোজিনহার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ফলো করার জন্য। তখন মাত্র ৫০ হাজার ফলোয়ার ছিলেন তার অ্যাকাউন্টে। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই তার অ্যাকাউন্টে যোগ হয় ৩ লাখেরও বেশি নতুন ফলোয়ার। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর সেই স্রোত সুনামি রূপ নেয়। রাতারাতি তা ১১ লাখ পার করে বর্তমানে ৪৯ লাখে গিয়ে ঠেকেছে। কেপ ভার্দের মতো একটি ছোট ফুটবল খেলুড়ে দেশের খেলোয়াড়ের জন্য যা স্রেফ অবিশ্বাস্য।
৪০ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষকের আসল নাম জোসিমার হোসে এভোরা দিয়াস। তবে ফুটবল বিশ্বে তিনি ‘ভোজিনহা’ নামেই সমধিক পরিচিত। এই ডাকনামের পেছনে জড়িয়ে আছে তার শৈশবের এক মিষ্টি গল্প। সাও ভিসেন্তে দ্বীপে নিজের দাদা-দাদির কাছে আদরে বড় হয়েছিলেন তিনি। পর্তুগিজ ভাষায় ‘ভোজিনহা’ শব্দের অর্থ দাদা-দাদির আদরের নাতি। সেই আদরের নাতিই এখন পর্তুগিজ দ্বিতীয় বিভাগের দল চাভেসের গোলপোস্ট সামলান। এর আগে গিল ভিসেন্তে ও এএল লিমাসোলের হয়েও খেলেছেন তিনি।
- বিষয় :
- ভোজিনহা
- বিশ্বকাপ ফুটবল
