ঢাকা শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

কাপ্তাইয়ে বিস্ফোরণ

কোনো ক্লু পায়নি পুলিশ, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে বিশেষজ্ঞ দল

কোনো ক্লু পায়নি পুলিশ, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে বিশেষজ্ঞ দল
×

বিস্ফোরণের পর রান্নার ঘরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে জিনিসপত্র। ছবি: সমকাল

রাঙামাটি অফিস ও কাপ্তাই প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৪:৪৫ | আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৫:০১

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বাদশা মাঝির টিলা নামক স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনায় বাবা-ছেলের নিহত ও গৃহবধূ দগ্ধের ঘটনায় পুলিশ কোন ক্লু বের করতে পারেনি। তবে সোমবার সেনাবাহিনীর একটি বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দলটি ঘটনাস্থল থেকে লোহার ক্লিপসহ বেশকিছু আলামত সংগ্রহ করে। এছাড়া রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মারুফ আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তারা এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন।

এর আগে, রোববার সন্ধ্যায় ওই বিস্ফোরণে ইসমাইল মিয়া (৪৫) ও তার ছেলে রিফাত (০৪) নিহত হন। এছাড়া, ইসমাইল মিয়ার স্ত্রী গৃহবধূ সখিনা বেগম (৩৫) দগ্ধ হন।

ইসমাইল ছিলেন নৌকা মাঝি। বাবা-ছেলের লাশ রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সোমবার বিকালে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে লাশ দাফন করা হয়।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, বিস্ফোরণে বাড়ির জিনিসপত্র বিছিন্ন হয়ে পড়ে রয়েছে। রান্না ঘরের এখানে সেখানে রক্তের দাগ রয়েছে। চাল পড়ে রয়েছে সেখানে। চুলায় আগুন জ্বালানোর পরই বিস্ফোরণ ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিবেশী মো. শহীদুল জানান, তারা মসজিদে নামাজ পড়ার সময় বিকট শব্দ শুনতে পান। কাছে গিয়ে দেখেন ঘরের ভেতর ইসমাইলের স্ত্রী কান্না করছেন। ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় তারা দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে ইসমাইল ও তার ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। 

আরেক প্রতিবেশী রুমানা জানান, রোববার সকালের দিকে ইসমাইলের স্ত্রী জীবতলি এলাকায় গরুর ঘাস সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। সেখানে তারা একটি লাল বলের মত বস্তু দেখতে পায়। সেটি খেলার বস্তু ভেবে ছেলের জন্য নিয়ে আসেন। এলাকাবাসী ধারণা করছে, ওই বস্তুটিই হয়তো বিস্ফোরিত হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মারুফ আহমেদ জানান, বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দলটি ঘটনা তদন্ত করেছে। তদন্ত শেষে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

আরও পড়ুন

×