ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

এবার ইতালি গেল বাঘার পেয়ারা-বরই

এবার ইতালি গেল বাঘার পেয়ারা-বরই
×

ছবি: সমকাল

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৯:২৫ | আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৯:২৫

কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের মাধ্যমে রাজশাহীর বাঘায় উৎপাদিত হচ্ছে রপ্তানি উপযোগী বিভিন্ন ফল। এসব ফলের মধ্যে পেয়ারা ও বরইয়ের প্রথম চালান বৃহস্পতিবার ইতালিতে পাঠানো হয়েছে। গত মৌসুমে এখানকার ৩০ টন আম ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি হয়েছিল।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সফিউল্লাহ সুলতান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স আদাব ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে এক টন পেয়ারা ও ১০০ কেজি থাই বরই ইতালিতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের সাদি এন্টারপ্রাইজের কার্যালয় থেকে এক টন পেয়ারা এবং বাউসার সাইন ইকবালের বাগান থেকে ১০০ কেজি বরই ঢাকার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় শ্যামপুর সেন্ট্রাল প্যাকিং হাউজে পাঠানো হয়। সেখানে পেয়ারা ও বরই মোড়কজাতের পর কার্গো ফ্লাইটে ইতালি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

সাদি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শফিকুল ইসলাম জানান, এবার ৫০ বিঘা জমিতে পেয়ারা ও ৫০ বিঘা জমিতে বরই চাষ করেছেন তিনি। এর মধ্যে উপজেলার চরাঞ্চলের পলাশীর গ্রামে ৩০ বিঘা জমি ইজারা নিয়ে পেয়ারা চাষ করেছেন।

চাষি সাইন ইকবাল জানান, দুই বিঘা জমিতে তিনি বরই চাষ করেছেন। ডিসেম্বর থেকে বরই নামানো শুরু হয়। প্রতিটি গাছ থেকে ছয় থেকে সাত মণ বরই সংগ্রহ করা যাচ্ছে। তাঁরা জানান, বিঘাপ্রতি পেয়ারা চাষে খরচ হয় ৫০ হাজার টাকা আর বরইয়ে খরচ পড়ে ৪০ হাজার টাকা। বর্তমানে বরইয়ের চেয়ে পেয়ারার বাজার ভালো। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেয়ারা ৬০ টাকা আর জাতভেদে প্রতি কেজি বরই ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জানা যায়, একসময় চরের জমিতে তেমন কোনো ফসল আবাদ হতো না। এখন আম, বরই, পেয়ারাসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ হচ্ছে পদ্মার চরে। ফলনও হচ্ছে ভালো।

সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ১৫০ হেক্টর জমিতে বরই এবং ৩০৪ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ চাষ হয়েছে পদ্মার চরে।

আরও পড়ুন

×