ঢাকা শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালীতে তাবলীগের সদস্য থাকা খানকা ও মসজিদ লকডাউন

পটুয়াখালীতে তাবলীগের সদস্য থাকা খানকা ও মসজিদ লকডাউন
×

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২০ | ০৩:০১ | আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২০ | ০৩:৫৪

পটুয়াখালীতে সাত ভারতীয় নাগরিকসহ তাবলীগ জামায়াতের ১৪ সদস্যকে নিয়ে একটি ঘর (খানকা) ও একটি মসজিদে কোয়ারেন্টাইনে রেখে তা লকডাউন করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এর মধ্যে তাবলীগ জামায়াতের সাত ভারতীয় নাগরিককে জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইদিয়া এলাকার একটি খানকায় এবং অপর সাত তাবলীগ জামায়াতের সদস্যকে সদর উপজেলার খলিসাখালী গ্রামের খান বাড়ি মসজিদে রেখে কোয়ারেন্টাইনে রেখে তা লকডাউন ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। দু’টি ঘটনাই ঘটে মঙ্গলবার বিকেলের দিকে।    

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, তাবলীগ জামায়াতের ভারতীয় ওই সাত সদস্য চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ভারতের বিহার থেকে বাংলাদেশে আসেন এবং টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দেন। এজতেমার আখেরি মোনাজাত শেষে বাংলাদেশে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েন তারা এবং জানুয়ারির শেষ দিকে পটুয়াখালী আসেন তারা। এরপর তারা পটুয়াখালী সদরে ৩৩ দিন, কলাপাড়ায় ১৮ দিন, গলাচিপায় ৮ দিন এবং রাঙ্গাবালীর চর আন্ডায় ১১ দিন থাকার পর সোমবার বিকেলে রাঙ্গাবালীর ছোটবাইশদিয়ার মাকরাজে (খানকা) আসে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী আহম্মেদ সেখানে যান এবং ওই মাকরাজে (খানকা) তাদেরকে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়ে খানকাটি লকডাউন ঘোষণা করেন।

তাবলীগ জামায়াতের রাঙ্গাবালী উপজেলা আমীর আহম্মেদ ফয়সাল বলেন,তাবলীগ জামায়েতের সাথীরা টঙ্গী ইজতেমার পর পটুয়াখালী জেলায় আসেন এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থায় করেন। সর্বশেষ তারা এ উপজেলার চর আন্ডার একটি মসজিদে ছিলেন এবং সোমবার বিকেলে সেখান থেকে ছোটবাইদিয়ায় আমাদের মাকরাজে (খানকা) আসেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের লোকেরা এসে তাবলীগ সাথীদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেন এবং খানকাটি লকডাউন ঘোষণা করেন। তাবলীগ সাথীরা বর্তমানে নিরাপদে ও সুস্থ আছেন।

এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান জানান, তাবলীগ জামায়াতের ভারতীয় সাত সদস্যকে তাদেরই একটি খানকায় কোয়ারেন্টোইনে রাখা হয়েছে এবং খানকাটি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে কেউকে সাক্ষাত করতে দেয়া হচ্ছে না। তবে বর্তমানে তারা ভাল ও সুস্থ রয়েছেন। 

এদিকে একই দিন মঙ্গলবার সকালে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের খলিসাখালী গ্রামের খান বাড়ির মসজিদে আসেন তাবলীগ জামায়েতের সাত সদস্যে’র আরেকটি দল। এ খবর পেয়ে বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্য্যাজিষ্ট্রেট গিয়ে তাবলীগ জামায়েতের ওই সাত সদস্যকে কোয়ারেন্টাইনে থানার নির্দেশে দেয় এবং মসজিদটি লকডাউন ঘোষণা করে।    

আরও পড়ুন

×