ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

গোমতী নদীর পানি বিপৎসীমার ৪৫ সে.মি. ওপরে

গোমতী নদীর পানি বিপৎসীমার ৪৫ সে.মি. ওপরে
×

ছবি: সমকাল

কুমিল্লা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৪ | ১৩:১৫ | আপডেট: ২১ আগস্ট ২০২৪ | ১৩:২০

গত দুই দিনের টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে  আসা পাহাড়ি ঢলে কুমিল্লা গোমতী নদীর পানি অস্বাভাবিক গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরই মধ্যে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পানি বিপৎসীমা ৪৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে পাউবো সূত্রে জানা গেছে। এদিকে সেনাবাহিনীর একাধিক টিম নদী রক্ষা বাঁধ পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান। 

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, ‘গোমতী নদী রক্ষা বাঁধের যেখানে সমস্যা দেখা দিচ্ছে সেখানে বালুর বস্তা দেওয়া হচ্ছে। প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এভাবে পানি প্রবাহ ক্রমাগত বাড়তে থাকলে বাঁধের জন্য হুমকির কারণ হতে পারে। তবে নদীপাড়ের মানুষজনকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছি। বাঁধে ফাটল বা ঝুঁকি আছে এমন পরিস্থিতি দেখলে তা পাউবো কিংবা স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর আহবান জানাচ্ছি।’ 

পাউবো সংশ্লিষ্টরা বলেন, জেলার আদর্শ সদর, বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া, দেবিদ্বার, মুরাদনগর, তিতাস ও দাউদকান্দি এলাকার গোমতী চর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার রাত থেকেই বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছেন। 

দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিগার সুলতানা জানান, বাঁধের কিছু অংশ ঝুঁকিপূর্ণ। সকাল থেকে বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। 

এদিকে জেলার আদর্শ সদর উপজেলায় গোমতী চরে পানিবন্দী লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের সহায়তায় ৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে জেলা প্রশাসন। 

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক সমকালকে বলেন, গোমতী নদীর বাঁধ রক্ষায় জেলা প্রশাসন, পাউবো, সেনাবাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদ কাজ করছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সদর উপজেলার শালধর প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমড়াতলী প্রতিবন্ধী উচ্চ বিদ্যালয় ও ধনেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

আরও পড়ুন

×