ঢাকা রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬

বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ ২ ইউপিডিএফ কর্মী গ্রেফতার

বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ ২ ইউপিডিএফ কর্মী গ্রেফতার
×

উদ্ধারকৃত অস্ত্র-গুলি

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২০ | ০৬:৩৪

চারটি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ পাবর্ত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক) দুই কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানার বালুছড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার দুইজন হলেন-রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার মারিশ্যা তুলাবান এলাকার আনন্দ তালুকদারের ছেলে প্রকাশ তালুকদার ও একই জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার গবাইছড়ি গ্রামের জনপ্রিয় চাকমা।

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (বায়েজিদ অঞ্জল) পরিত্রাণ তালুকদার জানান, অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার দুইজন জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, অস্ত্রগুলো তারা ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের এক নেতার জন্য খাগড়াছড়িতে নিয়ে যাচ্ছিল। জনপ্রিয় চাকমা সেগুলো নেওয়ার জন্য খাগড়াছড়ি থেকে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে আসেন। বান্দরবান থেকে রুনেল নামে একজন এসে অস্ত্রগুলো তাকে দিয়ে যায়। রাতে নগরের অক্সিজেনের জেলা পরিষদ আবাসিক এলাকায় প্রকাশের বাসায় অবস্থান করে ভোরের খাগড়াছড়ি যাবার কথা ছিল তাদের। রাত দেড়টার দিকে বালুছড়া এলাকায় পুলিশের চেকপোস্টে তাদের তল্লাশি করে অস্ত্র ও গুলিগুলো উদ্ধার করা হয়।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) আশিকুর রহমান জানান, গ্রেফতার আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, অস্ত্র ও গুলিগুলো ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের শীর্ষ নেতা তুরুর কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তাদের সাংগঠনিক কর্মী রুনেল অস্ত্রগুলো বান্দরবান থেকে নিয়ে আসে।

এ প্রসঙ্গে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের সভাপতি শ্যামল কান্তি চাকমা তুরুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মিটন চাকমা সমকালকে বলেন, ‘যাদের গ্রেফতারের কথা বলা হচ্ছে এ নামে আমাদের কোন কর্মী নেই। এ ধরণের কোন ঘটনার সঙ্গে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক সভাপতি কিংবা সংগঠন সম্পৃক্ত নয়।’

২০১৭ সালে আভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে পাবর্ত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ ভেঙ্গে তপন জ্যোতি চাকমা বর্মার নেতৃত্বে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) নামে পৃথক আরেকটি দল গঠন করা হয়। ২০১৮ সালে ৪ মে রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যাওয়ার পথে খুন হন তপন জ্যোতি চাকমা বর্মাসহ পাঁচজন। এরপর সংগঠনটির নেতৃত্বে আসে শ্যামল কান্তি চাকমা ওরফে জলেয়া চাকমা তুরু।

আরও পড়ুন

×