চট্টগ্রাম নগরে ২৮০ কোচিং সেন্টারের ট্রেড লাইসেন্স নেই
নীতিমালার আওতায় আনার ঘোষণা মেয়রের
ফাইল ছবি- সংগৃহীত
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ২২:২৪
চট্টগ্রাম নগরে প্রায় ৪০০ কোচিং সেন্টার রয়েছে। তবে ট্রেড লাইসেন্স আছে মাত্র ১২০টির। তাছাড়া কোচিং সেন্টারগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছে। তাই এগুলোকে নীতিমালা ও ট্রেড লাইসেন্সের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
বুধবার সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে দৃশ্যদূষণ প্রতিরোধ ও সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।
শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘অনুমতিহীন পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও সাইনবোর্ডে নগরীর সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের রাজস্বও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কোচিং সেন্টার যেহেতু একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা খাত, তাই নিয়ম-কানুন মেনে চলা তাদের জন্য বাধ্যতামূলক।’
তিনি আরও বলেন, ‘চকবাজারকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমৃদ্ধ একটি ক্লিন, গ্রিন অ্যান্ড হেলদি জোনে রূপান্তর করা হবে। এজন্য যত্রতত্র পোস্টার-ব্যানার বন্ধ করে নিয়ম মেনে ডিজিটাল বোর্ড বা এলইডি স্ক্রিনে বিজ্ঞাপন প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে। এতে নগরের সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন থাকবে এবং ব্যবসায়ীরাও আইনসঙ্গতভাবে প্রচার করতে পারবেন।’
নাগরিকদের সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে মেয়র বলেন, ‘শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে হলে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। যারা এখনো ট্রেড লাইসেন্স নেননি, তারা দ্রুত নিন। যাদের লাইসেন্স নবায়ন হয়নি, তারা নবায়ন করবেন।’
সভায় সিটি করপোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তারা জানান, নগরের কোচিং সেন্টারগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপন ও পোস্টার ঝুলিয়ে রাখছে। মাত্র ২০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপনের অনুমতি নেয়। এতে বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে সিটি করপোরেশন। অথচ একটি সাইনবোর্ডের জন্য মাত্র এক-দুই হাজার টাকার কর দিলেই হতো। এ অনিয়ম বন্ধে সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
সভায় প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল, রাজস্ব কর্মকর্তা সাব্বির রহমান সানি, চট্টগ্রাম কোচিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফ সোহেল, নগরের বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
- বিষয় :
- চসিক
- চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
