ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সৈকতের বালিয়াড়িতে দোকান, সরকারি ৮ কর্মকর্তাকে বেলার আইনি নোটিশ 

সৈকতের বালিয়াড়িতে দোকান, সরকারি ৮ কর্মকর্তাকে বেলার আইনি নোটিশ 
×

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে গত তিন রাতে বালিয়াড়ি দখল করে বসানো হয়েছে একই নকশার শতাধিক দোকান। কলাতলীতেও একই সময় নির্মাণ করা হয় অর্ধশত দোকান। ছবি: সমকাল

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ০৪:৩৮

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি দখল করে দোকান নির্মাণ করায় দুই সচিবসহ সরকারি আট কর্মকর্তাকে আইনি নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। গতকাল সোমবার বেলার আইনজীবী জাকারিয়া সুলতানা এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। ডাক বিভাগের মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করে নোটিশটি পাঠানো হয়।

নোটিশে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এবং সৈকতের স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ স্থানে নির্মিত ও নির্মাণাধীন সব স্থাপনার পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে সেগুলো উচ্ছেদের দাবি জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে সৈকতের যথাযথ সংরক্ষণ করাসহ বেশ কয়েকটি দাবি জানিয়েছে বেলা। এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপ নোটিশ পাঠানোর সাত দিনের মধ্যে বেলার আইনজীবীকে অবহিত করতে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় নোটিশ গ্রহীতাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

যেসব কর্মকর্তাকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন– পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার।

কক্সবাজার সৈকত প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হওয়ায় কোনো স্থাপনা নির্মাণ বা বসানোর বিষয়ে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এর পরও গত বুধবার থেকে শুক্রবার– তিন দিন রাতের আঁধারে সৈকতের সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে বালিয়াড়ি দখল করে অন্তত দেড়শ দোকান বসানো হয়েছে।

এদিকে সোমবার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে দেখা গেছে, বালিয়াড়িতে সারিবদ্ধভাবে বসানো হয়েছে ছাতাযুক্ত চেয়ার (কিটকট)। এসব চেয়ারের কারণে পর্যটকরা সরাসরি সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারছেন না। অভিযোগ উঠেছে, নতুন করে আরও ৬০০ কিটকট বসানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।    

এ বিষয়ে কক্সবাজার সৈকত কিটকট মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, নতুন করে কোনো কিটকট বসানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। তবে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও বিরক্তি দূর করতে কিটকট মালিকদের নিয়ে বৈঠকে বসা হবে।

আরও পড়ুন

×