ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

গাইবান্ধায় যুক্তি-পাল্টা যুক্তিতে সেরা বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল

গাইবান্ধায় যুক্তি-পাল্টা যুক্তিতে সেরা বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল
×

প্রতিযোগিতা শেষে বিচারকদের সঙ্গে বিজয়ী বিতার্কিকরা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৫ | ১৪:৩০ | আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৫ | ১৬:০৮

যুক্তি-পাল্টা যুক্তির প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় গাইবান্ধা শহরের বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএফএফ-সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবের জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা। বুধবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসক হেদায়েতুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আল হাসান। 

দিনভর উৎসবমুখর বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন হয় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। রানার্সআপ হয়েছে গাইবান্ধা সদর উপজেলা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান বক্তা সাফা মাগফিরাত তুরা। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ গাইবান্ধার উপাধ্যক্ষ জান্নাতুন ফেরদৌস। 

বিচারক, মডারেটরদের সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা
বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধনী পর্বে বিতার্কিকদের উদ্দেশে হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, ভালো বক্তা হওয়া যতটা সহজ, একজন ভালো মানুষ হওয়া আরও কঠিন। তোমাদের বিজ্ঞানমনস্ক ও ভালো মানুষ হতে হবে। ছাত্রজীবনে যারা বিতর্কে যুক্ত থাকে, তারা মাদকসহ আরও নানা খারাপ প্রলোভন থেকে দূরে থাকতে পারে। এমন প্রতিযোগিতামূলক আয়োজন শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।


বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন গাইবান্ধা আসাদুজ্জামান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর কবির, লেখক ও শিক্ষক রঞ্জু খন্দকার, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা তাহেরা নাজনীন ও উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা কবির হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমকাল জেলা প্রতিনিধি মাসুম লুমেন, সমকাল গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি এনামুল হক, ৭১ টেলিভিশনের গাইবান্ধা প্রতিনিধি শামিম আল সাম্য, সুহৃদ সমাবেশের জেলা সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রোকন-উদ-দৌলা, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. তানবীর আহমেদ, সহসমাজকল্যাণ সম্পাদক সেলিম রেজা, নির্বাহী সদস্য লিসা খাতুন প্রমুখ।

দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী আটটি বিদ্যালয় লটারির মাধ্যমে চার গ্রুপে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন রাউন্ডে বিতর্কে অংশ নেয়। যুক্তিতর্কের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা বারবার উচ্চারণ করে– প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার ছাড়া সমাজের কল্যাণ সম্ভব নয় আর বিজ্ঞান ছাড়া উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ কল্পনাও করা যায় না।
 

আরও পড়ুন

×